মো: সাকিব চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টার ৭ এপ্রিল ২০২৬ , ১১:৩৩:৩১ প্রিন্ট সংস্করণ
রংপুরের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনসহ কয়েকটি সবজির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে মুরগি ও ডিমের দাম। তবে চাল-ডালসহ অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
খুচরা বাজারে পোলট্রি ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৪-৩৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম অপরিবর্তিত থেকে কেজি প্রতি ১৯০-২০০ টাকা থাকলেও পাকিস্তানি সোনালি ও অন্যান্য জাতের মুরগির দাম বেড়েছে। সোনালি মুরগি ৩৮০-৩৯০ টাকা, হাইব্রিড ৩৫০-৩৬০ টাকা এবং লেয়ার ৩৪০-৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগি আগের মতোই ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি রয়েছে।
মাংসের বাজারে গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০-১১০০ টাকা কেজি দরে অপরিবর্তিত রয়েছে।
সবজির বাজারে বেগুনের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। চিকন বেগুন ৬০-৭০ টাকা এবং গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া টমেটো, গাজর, চালকুমড়া, শসা, পেঁপে, করলা ও লাউয়ের দামও বেড়েছে। তবে ঝিঙা ও সজনের দাম কিছুটা কমেছে। অন্যান্য সবজির মধ্যে বেশিরভাগই স্থিতিশীল রয়েছে।
মসলা পণ্যের মধ্যে দেশি আদার দাম বেড়ে ১৬০-১৮০ টাকা কেজি হয়েছে। রসুনের দামও তুলনামূলক বেশি রয়েছে। আলুর বাজারে কার্ডিনাল আলু ১৮-২০ টাকা এবং অন্যান্য জাতের আলু ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা জানান, সরবরাহ কমে যাওয়ায় মুরগি ও সবজির দাম বেড়েছে। কামাল কাছনা বাজারের সবজি বিক্রেতা রুহুল মিয়া বলেন, পরিবহন সংকটের কারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে সবজি কম আসছে, যার প্রভাব বাজারে পড়েছে।
অন্যদিকে, সয়াবিন তেল, ডাল, চিনি ও আটা-ময়দার দাম গত সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে। চালের বাজারেও কোনো পরিবর্তন নেই।
মাছের বাজারে আকারভেদে রুই ৩০০-৩৮০ টাকা, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০ টাকা এবং পাঙাশ ১৫০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আগামী দিনগুলোতে নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে।




















