প্রতিনিধি ১৩ আগস্ট ২০২৬ , ১২:০০:৫৩ প্রিন্ট সংস্করণ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ১০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ ১০ হাজার টাকাসহ মো. শহিদুল ইসলাম (৪০) ওরফে ‘ট্যাবলেট শহিদুল’কে গ্রেফতার করেছে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে রাত ১টার মধ্যে উপজেলার বাগভান্ডার সোনাতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার শহিদুল ইসলাম উপজেলার বাগভান্ডার সোনাতলী এলাকার মো. মফিজ উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে ভূরুঙ্গামারী থানার এসআই মো. আল-আমিন ও এএসআই আবু সাইদের সমন্বয়ে গঠিত একটি ছদ্মবেশী দল সুকৌশলে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় শহিদুলের কাছ থেকে ১০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, শহিদুলকে গ্রেফতারে এর আগেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর,একাধিকবার অভিযান চালিয়েছিল। তবে প্রতিবারই কৌশলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন তিনি। এবার পুলিশের চতুর্থ প্রচেষ্টায় মাদকসহ তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের বিপুলসংখ্যক উঠতি বয়সী কিশোরকে মাদকের দিকে ঠেলে দেওয়ার সঙ্গে শহিদুল জড়িত। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে দিনাজপুর ও রংপুরের বিভিন্ন উপজেলায় ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজা সরবরাহের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার গ্রেফতারের খবরে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এ প্রসঙ্গে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “এনিয়ে চতুর্থবারের চেষ্টায় মাদকসহ শহিদুলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। আটক মাদক কারবারির সঙ্গে ভারতীয় মাদক কারবারিদের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তারা যতই চতুর হোক না কেন, পুলিশের হাতে ধরা পড়তেই হবে। গ্রেফতারকৃত শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।















