প্রতিনিধি ২ নভেম্বর ২০২৬ , ২:৩৫:৪৯ প্রিন্ট সংস্করণ
রাজশাহীতে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির রাজশাহী, রংপুর ও সৈয়দপুর অঞ্চলের ১২টি শাখার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ (এএমএল/সিএফটি) বিষয়ক এক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) ব্যাংকের রাজশাহী শাখা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাফর ছাদেক, এফসিএ।
কর্মশালায় মূল বিষয়বস্তুর ওপর বিস্তারিত আলোচনা করেন ব্যাংকের ইভিপি, ডেপুটি ক্যামেলকো (ডিস্যামেলকো) ও অ্যান্টি মানি লন্ডারিং বিভাগের প্রধান মো. আব্দুল কুদ্দুস। একই বিভাগের এভিপি মো. আশরাফুল ইসলাম ‘ট্রেড বেইজড মানি লন্ডারিং’ ও ‘ক্রেডিট বেইজড মানি লন্ডারিং’ প্রতিরোধ কৌশলের ওপর দিকনির্দেশনামূলক সেশন পরিচালনা করেন। উক্ত কর্মশালায় তিন অঞ্চলের ১২টি শাখা ও উপশাখার ব্যবস্থাপক, বিনিয়োগ ইনচার্জ এবং জেনারেল ব্যাংকিং (জিবি) ইনচার্জসহ মোট ৪৮ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ের স্পেশাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ইভিপি মো. হুমায়ুন কবীর মিয়া, রাইট অব ইনভেস্টমেন্ট রিকভারি ইউনিটের ভিপি মো. সাজ্জাদ হোসাইন এবং স্পেশাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এসএভিপি মো. মমিনুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাফর ছাদেক বলেন, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন শুধু জাতীয় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যই হুমকি নয়, বরং এটি বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার জন্যও একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ। ব্যাংকিং চ্যানেল যেন কোনোভাবেই অবৈধ অর্থের লেনদেন কিংবা সন্ত্রাসে অর্থায়নের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত না হয়, তা নিশ্চিত করা ব্যাংক কর্মকর্তাদের পেশাগত ও আইনি দায়িত্ব।
তিনি সতর্ক করে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকিং চ্যানেলের সুযোগ নিয়ে ডিজিটাল হুন্ডি, অনলাইন জুয়া, বেটিং, অবৈধ ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ফরেক্স ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে অর্থ পাচারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অপরাধীরা যেন ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করে কোনো অপতৎপরতা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেন তিনি।
কর্মশালা শেষে ক্যাশলেস লেনদেনকে উৎসাহিত ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে ‘এক দেশ এক কিউআর, লেনদেন বাংলা কিউআর’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাংলা কিউআর কোড’ বিতরণ করা হয়।





















