প্রতিনিধি ২ নভেম্বর ২০২৬ , ১২:৪৯:২৭ প্রিন্ট সংস্করণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামান।
আজ সোমবার সকালে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২ অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত ৩২৩ মহিলা আসন-২৩ সংরক্ষিত মহিলা আসনে উপ-নির্বাচন উপলক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিলের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ও জোটের মনোনীত প্রার্থী এলিজা জামান মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুসারে বাছাইপূর্বক এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য নির্ধারিত সময় রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৪টার মধ্যে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১২ এর উপধারা (১) অনুসারে চূড়ান্ত তালিকায় এলিজা জামানের নাম প্রকাশ করা হলো।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির নাম আসায় বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। এরপর তিনি পদত্যাগ করলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়।
পরবর্তী সময়ে ওই আসনে নতুন প্রতিনিধি নির্বাচনের লক্ষ্যে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৬ অক্টোবর মনোনয়নপত্র জমার পর ২৭ অক্টোবর তা যাচাই-বাছাই করা হয়। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২৮ অক্টোবর আপিল এবং ২৯ অক্টোবর আপিল নিষ্পত্তি করে কমিশন। এরপর ১ নভেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল।
আজ ২ নভেম্বর প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার কথা ছিল। তবে কোনো প্রার্থী না থাকায় তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। আগামী ১২ নভেম্বর এ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়া কথা ছিল।
এলিজা জামান বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পিরোজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। পাশাপাশি তিনি কেন্দ্রীয় মহিলা দলের বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
২০০৩ সালে তিনি জাতীয় মহিলা সংস্থার পিরোজপুর জেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ওই বছরই শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে স্বর্ণপদক অর্জন করেন। পরের বছর সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পান মাদার তেরেসা স্বর্ণপদক।















