সারাদেশ

ঢাকা মেডিকেলে ৮৪তম মেধাক্রমে চান্স: হরিণাকুণ্ডুর লামিয়া নাফির সাফল্য

  মো. রবিউল ইসলাম, হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৪:৩৩:২৭ প্রিন্ট সংস্করণ

 

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। হরিণাকুণ্ডু উপজেলা, বিশেষ করে জোড়াপুকুরিয়া গ্রাম আজ এক গৌরবময় সাফল্যের সাক্ষী। স্থানীয় বরেণ্য চিকিৎসক ডা. নাসির উদ্দীনের একমাত্র কন্যা লামিয়া নাফি সদ্য প্রকাশিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে ৮৪তম মেধাক্রম অর্জন করে দেশের শীর্ষ চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ডিএমসি) ভর্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রতি বছর লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর প্রতিযোগিতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। সেই কঠিন প্রতিযোগিতায় লামিয়া নাফি শীর্ষ ১০০ মেধার মধ্যে নিজের অবস্থান নিশ্চিত করে প্রমাণ করেছেন— মফস্বল থেকেও অধ্যবসায়, নিষ্ঠা ও মেধার জোরে দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানো সম্ভব।

জোড়াপুকুরিয়া গ্রামের সন্তান লামিয়া নাফি মানবদরদী চিকিৎসক ডা. নাসির উদ্দীনের কন্যা। পিতার অনুপ্রেরণা ও মাতার নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতাই ছিল তাঁর এই সাফল্যের প্রধান শক্তি। এ প্রসঙ্গে ডা. নাসির উদ্দীন বলেন, “আমার জীবনের স্বপ্ন ছিল— লামিয়া যেন শুধু ভালো ডাক্তারই নয়, একজন প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে। তার এই সাফল্য কঠোর পরিশ্রমের ফসল। আজ আমি শুধু একজন বাবা হিসেবে নয়, একজন হরিণাকুণ্ডুবাসী হিসেবেও গর্বিত।”

লামিয়া নাফির এই অর্জনে এলাকায় আনন্দের জোয়ার বইছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, লামিয়া নাফি ভবিষ্যতে একজন দক্ষ চিকিৎসকের পাশাপাশি মানবিক ও সমাজসেবী চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেন।

লামিয়া নাফির এই সাফল্য প্রমাণ করে— স্বপ্ন দেখলে এবং পরিশ্রম করলে তা বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব। তাঁর এই অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আরও খবর

Sponsered content