আইন-আদালত

উপস্থাপক ফারুকী হত্যা মামলায় ৬ আসামির বিচার শুরু

  প্রতিনিধি ৮ নভেম্বর ২০২৬ , ৩:৪৪:৪০ প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারের বাসায় উপস্থাপক ও মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যাসহ ডাকাতির মামলায় ৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছে আদালত।

আজ রোববার ঢাকার ৯ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শহিদুল ইসলাম আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের এই আদেশ দিয়েছেন।

বিচার শুরু হওয়া আসামিরা হলেন আব্দুল্লাহ আল তাসনিম নাহিদ, ইঞ্জিনিয়ার ওরফে রিয়াজ ওরফে রিপন, আবু রায়হান মাহমুদ আব্দুল হাদী, হাদিসুর রহমান সাগর, মাহমুদ ইবনে বাশার ও রফিকুল ইসলাম ফারদীন।

এদিন জামিনে থাকা আসামি আব্দুল্লাহ আল তাসনিম নাহিদ, ইঞ্জিনিয়ার ওরফে রিয়াজ ওরফে রিপন ও আবু রায়হান মাহমুদ আব্দুল হাদী আদালতে হাজিরা দেন। তাদের পক্ষে আইনজীবী জায়েদুর রহমানসহ কয়েকজন আইনজীবী অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন।

কারাগারে থাকা আসামি হাদিসুর রহমান সাগরকে ভার্চ্যুয়ালি উপস্থিত দেখানো হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সরকার চার্জ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন।

মামলার দুই আসামি মাহমুদ ইবনে বাশার ও রফিকুল ইসলাম ফারদীন পলাতক রয়েছে।

২০১৪ সালের ২৭ আগস্ট ঢাকার পূর্ব রাজাবাজারের বাসায় মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকীকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনায় ফারুকীর বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে ফয়সাল ফারুকী মামলা দায়ের করেন। ঘটনার ১০ বছর পর ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালত চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার কে এম আবুল কাশেম।

হত্যার অভিযোগে মামলা হলেও সিআইডি পুলিশের তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যাসহ ডাকাতির অভিযোগ উঠে আসে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৭ অগাস্ট রাত ৯টার দিকে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারের বাসায় মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকীকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। রাতেই তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ফারুকী নিহতের ঘটনায় তার ছেলে ফয়সাল ফারুকী শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে নুরুল ইসলাম ফারুকীর বাসায় কলিং বেল চাপ দেয় দুর্বৃত্তরা। বাসার দরজা খুললে দুই জন লোক বাসায় প্রবেশ করে নুরুল ইসলামের সঙ্গে ড্রয়িং রুমে বসে। এর কিছুক্ষণ পর আরও ৬/৭ লোক বাসায় প্রবেশ করে। বসার স্থান সংকুলান না হওয়ায় ফয়সাল ফারুকীর মামাতো ভাই মারুফ হোসেন ভেতর থেকে চেয়ার আনতে যান। তিনি ফিরে এসে দেখেন নুরুল ইসলামের মাথায় পিস্তল ও চাপাতি ধরে রেখেছেন আসামিরা। পরে তারা বাসার সবাইকে বেঁধে নুরুল ইসলাম ফারুকীতে হত্যা করে। আসামির বাসা থেকে নগদ টাকা, মোবাইল, স্বর্ণালঙ্কার, ক্যামেরা নিয়ে যায়।

আরও খবর

Sponsered content