প্রতিনিধি ১ নভেম্বর ২০২৬ , ২:১২:৪১ প্রিন্ট সংস্করণ
নুন্যতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে আজরোববার অস্থির শিল্পাঞ্চল আশুলিয়া।
সকাল থেকে কর্ম বিরতি শুরু করেন শ্রমিকরা। হাজিরা দিয়েই পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন কারখানা থেকে বের হয়ে আসেন তারা।
এক পর্যায়ে হাজার হাজার শ্রমিক সড়কে নেমে এলে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল।
এদিকে গতকালের সংঘাতের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রত্যেকটি পোশাক কারখানার সামনে সকাল থেকেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায়।
এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিরপুর ও গাজীপুরের অস্থিরতার ঢেউ আছড়ে পড়ে গোটা শিল্পাঞ্চলে।
বিভিন্ন কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন করার বিষয়টি শ্রমিকদের অবগত করলেও তাতেও সায় দেননি তারা।
শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, শ্রমিকদের দাবি পূরণে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে,কারখানা বন্ধ থাকলে উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হবে। ক্রেতাদের কাছে পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে মালিকপক্ষ অর্থ পাবে না। ফলে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধেও সমস্যা তৈরি হতে পারে। এ বিষয়ে শ্রমিকদের বোঝানো হচ্ছে।
তবে দুপুরের দিকে নরসিংহপুরের বৃহৎ তৈরি পোশাক কারখানার শারমিন গ্রুপের সামনে এক দল শ্রমিক লাঠি সোটা নিয়ে অবস্থান বেগতিক পরিস্থিতি দেখে শারমিন গ্রুপ ছুটি ঘোষণা করলে ১১ হাজার শ্রমিক বের হয়ে যান একযোগে। এমন পরিস্থিতিতে পার্শ্ববর্তী হামিম গ্রুপেও ছুটি ঘোষণা করা হলে সব শ্রমিক একাকার হয়ে যান মহাসড়কে।
এভাবে একে একে শিল্প আশুলিয়ায় অন্যান্য তৈরি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার নুন্যতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে আশুলিয়ার নরসিংহপুর, নিশ্চিন্তপুর ও কাঠগড়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলের পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত হন ৩০ জন। পরে ২৬ টি পোশাক কারখানা সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।





















