সারাদেশ

এসআই পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে হাতিয়ে নিলেন ৮ লাখ টাকা

  প্রতিনিধি ৩০ জুলাই ২০২৬ , ১:২৭:২০ প্রিন্ট সংস্করণ

পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাড়ে ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাবলুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। গতকাল বুধবার যশোরের শার্শা উপজেলার রামপুর গ্রামের বাসিন্দা আশিক ইসলাম এ মামলাটি দায়ের করেন। তিনি সবেদ ইসলামের ছেলে।

যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগটি আমলে নিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামি বাবলুর রহমান যশোরের চৌগাছা উপজেলার বর্ণি গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।

আদালতে দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়েছে, আত্মীয় আহসান হাবিব মুকুলের মাধ্যমে বাবলুর রহমানের সঙ্গে আশিক ইসলামের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে বাবলু নিজেকে প্রভাবশালী দাবি করে পুলিশের এসআই পদে চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। এর বিনিময়ে তিনি মোট ৯ লাখ টাকা দাবি করেন এবং চার মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বরের মধ্যে অভিযুক্তের ইসলামী ব্যাংকের হিসাবে মোট ৪ লাখ ৪৯ হাজার টাকা জমা দেন আশিক ইসলাম। পরে নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা বলে আরও ৪ লাখ টাকা দাবি করলে ২০২১ সালের ৬ মে ইসলামী ব্যাংকের বেনাপোল শাখা থেকে দুই দফায় ওই অর্থও অভিযুক্তের হিসাবে পাঠানো হয়। সব মিলিয়ে বাবলুর রহমানের হিসাবে জমা দেওয়া হয় প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, টাকা নেওয়ার পরও অভিযুক্ত চাকরির কোনো নিয়োগপত্র দেননি। বরং বিভিন্ন সময়ে যোগাযোগ করলে তিনি নানান অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।

পরবর্তীতে বিষয়টি সমাধানের জন্য একাধিকবার আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। এরপর ভুক্তভোগী যশোরের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১১ জুলাই অভিযুক্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে তিনি টাকা ফেরত দেবেন না এবং চাকরির ব্যবস্থাও করতে পারবেন না। এ সময় টাকা ফেরত চাইলে প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয়ও দেখানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সব ধরনের সমাধানচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত আশিক ইসলাম যশোর আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও খবর

Sponsered content