আইন-আদালত

এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড

  প্রতিনিধি ২৮ জুলাই ২০২৬ , ১১:২২:১৩ প্রিন্ট সংস্করণ

দুদকে সম্পদের হিসাব দাখিল না করার মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর ওরফে এস কে সুর চৌধুরীর তিন বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার ২ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আয়েশা নাসরিন এ রায় ঘোষণা করেন।

দুদক প্রসিকিউটর এস.এম. আবুল কালাম (আজাদ) সাজার তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ১৫ জুলাই রায়ের দিন ঠিক করেছিলেন আদালত।

কারাগারে থাকা এস কে সুরকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদালতে আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়। পৌনে ১১টার দিকে তাকে এজলাসে তোলা হয়।

তিন বছরের সাজার রায় শুনে বিস্মিত হয়ে এস কে সুর বলে ওঠেন,‘তিন বছরের সাজা! এই মামলায় না এক বছরের সাজা?’ পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

গত ১৫ জুলাই যুক্তিতর্ক তুলে ধরে তার সর্বোচ্চ সাজা তিন বছরের কারাদণ্ড প্রার্থনা করেন দুদক প্রসিকিউটর আবুল কালাম (আজাদ)। অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী সরোজ কুমার হাওলাদার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে খালাস প্রার্থনা করেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়, এস কে সুরের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ বা সম্পত্তির মালিক হওয়ার অভিযোগে তার নিজের ও তার উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের স্বনামে বা বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ বা সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী দাখিল করার জন্য সম্পদের হিসাব বিবরণীর নোটিশ জারি করা হয়।

তিনি ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর নিজ স্বাক্ষরে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশসহ সম্পদ বিবরণী ফরম গ্রহণ করেন। কিন্তু আদেশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় এস কে সুর, তার স্ত্রী সুপর্ণা সুর চৌধুরী ও কন্যা নন্দিতা সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন।

গত বছরের ২৫ অগাস্ট তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. আহসান উদ্দিন। এর পর গত বছরের ৬ নভেম্বর এস কে সুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক এ ডেপুটি গভর্নরকে গ্রেপ্তার করে দুদক। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

আরও খবর

Sponsered content