প্রতিনিধি ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১১:১২:৫৫ প্রিন্ট সংস্করণ
রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কিশোরগঞ্জে পাসপোর্ট দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৪ ও র্যাব হেডকোয়ার্টারের একটি দল। অভিযানে সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ২০ সদস্যকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন— মো. মুস্তাফিজুর রহমান (৪৫), মো. মোতাহার হোসেন (২৭), মো. মিজানুর রহমান (৩০), মো. রনি (২৬), মো. বাদল মিয়া (৪৭), মো. হৃদয় মিয়া (২৫), মো. ফয়সাল (২২), আব্দুর রহমান (২৫), মো. হাফিজ হোসেন (৩০), মো. সাগর আহমেদ (৩৫), মো. শামিম মিয়া (৩১), মো. রাফসান (২৩), মো. মাসুদ রানা (৩৮), মো. রাসেল মিয়া (৩২), মো. শাফায়াতুল খালেক সাইফুল (৩৮), মো. অজুল মিয়া হৃদয় (২৫), মো. নাদিম মিয়া (২৮), মো. ইমন (২০), মো. সেলিম মজুমদার ও মো. মাহফুজ।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, সংঘবদ্ধ এই দালাল চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে পাসপোর্ট ফরম পূরণ, ফরম সত্যায়ন, কাগজপত্রে ঘাটতি দেখানো এবং ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার বিনিময়ে ভেরিফিকেশন ছাড়াই দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে আসছিল। কেউ প্রলোভনে রাজি না হলে বিভিন্ন কৌশলে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি করা হতো।
দালাল চক্রের অপতৎপরতা বন্ধ না হওয়ায় রোববার র্যাব-১৪ ও র্যাব হেডকোয়ার্টারের যৌথ দল দালালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ২০ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়।
র্যাব হেডকোয়ার্টারের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মোহাম্মদ জুবায়ের জানান, অভিযানের আগে সিভিল পোশাকে থাকা র্যাব সদস্যদের কাছে দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে দালাল চক্রের সদস্যরা। এছাড়া পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের কাছ থেকেও সরকারি ফি’র বাইরে বিভিন্ন অংকের টাকা আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তিনি আরও জানান, পাসপোর্ট অফিসের কিছু অসাধু ব্যক্তির সঙ্গে দালালদের যোগসাজশের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনভোগান্তি কমাতে র্যাবের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।




















