মোঃ নুরুজ্জামান শেখ স্টাফ রিপোর্টার ১২ নভেম্বর ২০২৫ , ৩:১৯:৫৩ প্রিন্ট সংস্করণ
গাজীপুর-৬ আসন পুনর্বহালের দাবিতে টঙ্গীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বিএনপি, সহযোগী সংগঠন ও স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে টঙ্গী কলেজ গেট ও টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকায় এ বিক্ষোভ শুরু হয়।
বিক্ষোভকারীরা “গাজীপুর-৬ আসন পুনর্বহাল করো”, “হাইকোর্টের ফ্যাসিস্ট বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকারের পদত্যাগ চাই”—এমন নানা স্লোগান দিতে থাকেন। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এ অবরোধে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
পরে নেতৃবৃন্দের নির্দেশে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিক্ষোভকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য হাসান উদ্দিন সরকার, কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের কার্যকরী সভাপতি আলহাজ সালাউদ্দিন সরকার, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি আরিফ হাওলাদার, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক পাপ্পু সরকার, মহানগর যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ভাট, টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির আহ্বায়ক প্রভাষক বশির উদ্দিনসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বিক্ষোভে বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি হাসান উদ্দিন সরকার। তিনি বলেন, “গাজীপুরের জনসংখ্যা এখন দেশের অনেক জেলার চেয়েও বেশি। অথচ এখান থেকে একটি সংসদীয় আসন কমানো হয়েছে, যা গাজীপুরবাসীর প্রতি অবিচার।”
কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের কার্যকরী সভাপতি আলহাজ সালাউদ্দিন সরকার বলেন, “গাজীপুর-৬ আসন পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আগামী সাত দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত না হলে আমরা বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।”
বক্তারা অভিযোগ করেন, হাইকোর্টের বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকারের নির্দেশে গাজীপুরবাসীর ন্যায্য অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তার পদত্যাগের দাবিও জানান তারা।
নেতৃবৃন্দ ঘোষণা দেন, সাত দিনের মধ্যে গাজীপুর-৬ আসন পুনর্বহাল না করা হলে সারা গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ, গণমিছিল ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়া হবে।
প্রায় এক ঘণ্টা অবরোধের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে নেতাদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে বিক্ষোভকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে সরে দাঁড়ালে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।




















