প্রতিনিধি ১৪ জুলাই ২০২৬ , ১:০৫:৩৩ প্রিন্ট সংস্করণ
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং ইরাসমাস মুন্ডুস অ্যাসোসিয়েশন (ইএমএ) যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে ২০২৬ সালের প্রথম ‘ইরাসমাস+ ওপেন ডে’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ইরাসমাস-অ্যালামনাই, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৫০ এরও বেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষাবিদ অংশ নেন। ‘লার্ন, এক্সপ্লোর অ্যান্ড গো টু ইউরোপ!’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরাসমাস প্লাস কর্মসূচির বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করা।পাশাপাশিবাংলাদেশ ও ইউরোপের উচ্চশিক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের শিক্ষা, মানব উন্নয়ন ও সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কাউন্সেলর ও টিম লিডার মিস জুরাতে স্মালস্কাইটে মারভিল এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক ও ইরাসমাস ও ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট মোছা. জেসমিন পারভীন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিভাগের উপপরিচালক মো. সৈয়দ রায়হান-উল-ইসলাম।
অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মো. আশিকুর রহমান, এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক, ইরাসমাস ও ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্টস নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় সহায়তা কর্মসূচি এবং ইরাসমাস মুন্ডুস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি। তিনি ‘শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অর্থনীতিতে আন্তঃআঞ্চলিক উন্নয়নে ইরাসমাস+’ শীর্ষক বিষয়ে বক্তব্য দেন। পরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল, ইরাসমাস+ বিশেষজ্ঞ এবং ইরাসমাস যৌথ মাস্টার্স, ইরাসমাস স্মার্টলিংক ও আন্তর্জাতিক ক্রেডিট মোবিলিটি কর্মসূচির সাবেক উপকারভোগীদের অংশগ্রহণে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
দিনব্যাপী আয়োজনে ইরাসমাস+ স্কলারশিপ, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বিনিময় (মোবিলিটি) এবং আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে একটি ব্যবহারিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি ‘ইএমএ মিট অ্যান্ড গ্রিট’ সেশনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা ইরাসমাস ও অ্যালামনাইদের সঙ্গে মতবিনিময় ও নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ পান।
আয়োজকরা জানান, এ আয়োজন বাংলাদেশ ও ইউরোপের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে ইরাসমাস ও এর কর্মসূচি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিং, জ্ঞান বিনিময় এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।





















