প্রতিনিধি ১০ অক্টোবর ২০২৬ , ২:২২:২২ প্রিন্ট সংস্করণ
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
আজ শনিবার সিজেপি জানায়, নেতৃত্ব আটক থাকলেও তরুণ ও সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে।
দিল্লির যন্তর মন্তরে নির্ধারিত কর্মসূচির আগে দলের শীর্ষ নেতাদের আটক করা হলেও আন্দোলন থামবে না বলে জানিয়েছে দলটি। এ দলের মূল দাবি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ অবতরণের পরপরই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা ও মুখপাত্র সৌরভ দাসকে আটক করে পুলিশ। তারা এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে দিল্লি যাচ্ছিলেন।
উড়োজাহাজের ভেতরে ধারণ করা এক ভিডিও বার্তায় অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘জরুরি অবস্থার সময় ইন্দিরা গান্ধীও এমনটা করেননি। পরিস্থিতি তার চেয়েও খারাপ। আমরা সবাই গ্রেপ্তার হওয়ার জন্য প্রস্তুত।’
সিজেপির সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস অভিযোগ করেন, কর্তৃপক্ষ শক্তি প্রয়োগ করে একটি সাংবিধানিক আন্দোলন থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
ছবি: এএফপি
এদিকে দলটির বিবৃতিতে বলা হয়, রাষ্ট্র যখন গণতান্ত্রিক ভিন্নমত দমনে ব্যাপকভাবে মানুষকে আটক করে, তখন গণতন্ত্র রক্ষায় জনগণকেই দায়িত্ব নিতে হয়।
মহাত্মা গান্ধী ও বি আর আম্বেদকরের আদর্শ অনুসরণ করে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে তরুণ ও দেশের সব নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সিজেপি।
অপরদিকে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের সমালোচনা করেছে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই দিল্লি পুলিশ নাগরিকদের আটক করছে।
নেহা বোরা লেখেন, ‘প্রথমে রাজধানীজুড়ে কার্যত অচলাবস্থা তৈরি করা হয়েছে। এখন রাজধানীর ভেতরে থাকা নাগরিকদের এবং দিল্লির পথে থাকা মানুষদের আটক করা হচ্ছে। ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেওয়া হচ্ছে। তারা বলছে, তারা ভয় পায় না। তারা বলছে, বিক্ষোভ ব্যর্থ হবে। কিন্তু সত্য সবার সামনে। যন্তর মন্তর ২.০ শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেয় সিজেপি ও কয়েকটি বামপন্থী সংগঠন। তবে পুলিশ তাদের ওই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি।





















