রাজশাহী প্রতিনিধি : ৭ এপ্রিল ২০২৬ , ৭:৫১:৫৯ প্রিন্ট সংস্করণ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের সময়কার নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এ নিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত দেড় বছরে রাবিতে ১৫৪ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মেডিকেল সেন্টারে অ্যাডহক ভিত্তিতে পাঁচজন চিকিৎসক ও আইসিটি সেন্টারে দুইজন প্রোগ্রামার নিয়োগ পান। পাশাপাশি দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির দুই শতাধিক কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “দৈনিক মজুরি ভিত্তিক দুই শতাধিক কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে জেনেছি। কী প্রক্রিয়ায় তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, সে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিষয়টি স্বচ্ছ থাকা প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, নিয়োগ নিয়ে কিছু অপতথ্যও ছড়ানো হচ্ছে, যা যাচাই করা দরকার।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী অভিযোগ করে বলেন, “নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে এবং এতে অনেক মেধাবী বঞ্চিত হয়েছেন।” তিনি এ বিষয়ে তদন্তের দাবি জানান।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব। তিনি বলেন, “শিক্ষক নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়নি। বিভিন্ন মহল থেকে তদবির থাকলেও আমরা তা আমলে নেইনি। যদি কোনো অনিয়মের অভিযোগ থাকে, তদন্তের মাধ্যমে তা যাচাই করা হোক।”
নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে।




















