প্রতিনিধি ১৭ এপ্রিল ২০২৬ , ৮:১২:০৯ প্রিন্ট সংস্করণ
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সভায় গৃহীতপ্রস্তাব অনুযায়ী. শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ১৯৭১ সালে মেহেরপুরের আম্রকাননে গঠিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে দলটি।
প্রস্তাবে বলা হয়, এটা ছিল আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বস্তত এই সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মহান স্বাধীনতার সংগ্রাম পরিচালিত হয়।এই সরকার গঠণ এবং আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের( Proclamation of Independence) অনুমোদন ছিল এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বার্তা পৌঁছে দেবার জন্য এই ঘোষণাপত্র ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই ঘোষণাপত্রের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের আদর্শিক- রাজনৈতিক দিশাও নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছিল।
সভার প্রস্তাবে আরও বলা হয়, গত ৫৫ বছর বাংলাদেশ রাষ্ট্র তার জন্মের ঘোষণা অনুযায়ী চলতে পারেনি; বরং এই ঘোষণাপত্রের বিপরীত পথেই হেটেছে। সাম্যের পরিবর্তে নিদারুণ অসাম্য, মানবিক মর্যাদার পরিবর্তে নানা সময়ে গুরুতর মানবিক বিপর্যয়, সামাজিক ন্যায়বিচারের বদলে নিষ্ঠুর নিপীড়নমূলক সামাজিক – রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা জেঁকে বসেছে।
প্রস্তাবে বলা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহনের পর এই অবস্থা পরিবর্তনের এক অসাধারণ সুযোগ তৈরী হয়েছে।নতুন সরকারের এই পরিবর্তনে নেতৃত্ব দেবার কথা। প্রথম দিকে এই সরকারকে নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা বাড়তে থাকলেও এখন মাত্র দুমাসের মাথায় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে প্রত্যাশার পারদ কিছুটা নামতে শুরু করেছে, পরিবর্তনের আকাংখ্যা কোন কোন ক্ষেত্রে দেশবাসীকে আশাহত করছে।প্রস্তাবে সংবিধান তথা রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক উত্তরণের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুসমূহ সংসদের ভিতরে বাইরে রাজনৈতিক দল ও জনগণের সাধারণ মতামতের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে সরকার ও সরকারি দলের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সেগুনবাগিচায় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তব্য রাখেন রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, আবু হাসান টিপু, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, মাহমুদ হোসেন।




















