প্রতিনিধি ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১২:০৪:৫৬ প্রিন্ট সংস্করণ
ইসলামি সংস্কৃতিতে যেসব দিবস ও রজনী বিখ্যাত, এর মধ্যে শবে বরাত। শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত ‘শবে বরাত’। শবে বরাত শব্দটি ফারসি। শব মানে রাত, বরাত মানে মুক্তি; শবে বরাত অর্থ মুক্তির রজনী। এর আরবি হলো ‘লাইলাতুল বারাআত’। হাদিস শরিফে একে ‘নিসফ শাবান’ বা শাবান মাসের মধ্যরাত বলা হয়েছে।
শবে বরাতের রোজা কয়টি রাখতে হবে?
পবিত্র শবে বরাতের পরের দিন শাবান মাসের ১৫ তারিখ। এ দিন অনেকেই রোজা রাখেন। এ সম্পর্কে একটি বিষয় জেনে রাখা প্রয়োজন। প্রতি চান্দ্র মাসে তিন দিন রোজা রাখা সুন্নত। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতেন, সাহাবিগণকেও মাসে তিন দিন রোজা রাখতে বলতেন। (তিরমিজি, হাদিস:৭৬০; ৭৬৩)
হাফেজ ইবনে হাজার (রহ.) বলেছেন, যে তিন দিনের কথা নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে গেছেন, সেই তিন দিন রোজা রাখাই সর্বোত্তম। (ফাতহুল বারী, ১৯৮১)
সে হিসেবে প্রতি মাসের আইয়ামে বীজে রোজা রাখা সুন্নত। শাবান মাসও এর ব্যতিক্রম নয়। তাই শাবান মাসের আইয়ামে বীযে (১৩, ১৪, ১৫) রোজা রাখাও সুন্নত। ১৫ তারিখ আইয়ামে বীজের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে ১৫ তারিখ রোজা রাখাও সুন্নত।
শবে বরাতের নামাজ ও রোজার নিয়ম
শবে বরাতের নামাজের সুর্নিদিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। বরং অন্যান্য নফল নামাজের মতোই পড়বে। অনেক বইয়ে লেখা থাকে অমুক সুরা ৩বার পড়া, আয়াতুল কুরসি পড়া- এসব মনগড়া কথা। ইসলামি শরিয়তে এর কোনো ভিত্তি নেই। ঠিক তেমনিভাবে নফল রোজাও অন্যান্য রোজার মতোই রাখবে।














