“যারা সহিংসতা সৃষ্টি করে এবং এ কাজে সহযোগিতা করে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।” এমন মন্তব্য করেছেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনোয়ার হোসেন খান।
রোববার বিকেলে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের আমতৈল ও নোহাটা গ্রামে সাম্প্রতিক সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, কোনো ধরনের সহিংসতা মেনে নেওয়া হবে না। যারা এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং যারা তাদের সহযোগিতা করেছে, তাদের সবাইকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
তিনি আরও বলেন, অসহায় মানুষের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া, গরু-ছাগল ও টাকা-পয়সা লুট করা অত্যন্ত ভয়াবহ ও অমানবিক ঘটনা।
সংসদ সদস্য স্থানীয় প্রশাসন ও নেতৃবৃন্দকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এবং লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এলাকাবাসীকে কোনো ধরনের উসকানিতে কান না দিয়ে শান্ত থাকার অনুরোধ করেন। তিনি সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন।
এছাড়া শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জোয়ার্দার আশরাফুল আলম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বদরুল আলম হিরো, খন্দকার আব্বাস উদ্দিন, আশরাফুল ইসলাম নালিম, খন্দকার খলিলুর রহমান, মোল্যা খলিলুর রহমান, মাসুদ মজুমদার, জেলা কৃষক দলের সভাপতি রুবাইয়াত হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম হিরা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জিয়াউল হক ফরিদ, সদস্য সচিব শাহ আলম তুফান, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মুন্সি জাহাঙ্গীর হোসেন, ছাত্রদলের আহ্বায়ক মুন্সি ইয়াছিন আলী সোহেল, সদস্য সচিব হেমায়েত হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১ মে) রাত ৯টা থেকে শনিবার ভোর ৩টা পর্যন্ত আমতৈল ও নোহাটা গ্রামে প্রায় ছয় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। এ সময় শতাধিক বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং গরু-ছাগল লুটের ঘটনা ঘটে।