সকালের বুলেটিন ডেক্স: ২০ আগস্ট ২০২৪ , ৮:৪৭:৫৪ প্রিন্ট সংস্করণ
অনলাইন ডেস্ক:
“শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে হযরত মইনুদ্দীন মাইজভাণ্ডারী (কঃ) এর মত নেতৃত্ব প্রয়োজন। বিএসপি চেয়ারম্যান – সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী
২০ আগস্ট ২০২৪,মঙ্গলবার চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে ইমামে আহলে সুন্নাত, শাইখুল ইসলাম হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর (ক:) ফাতেহা শরীফ অনুষ্ঠিত হয়। ফাতেহা শরীফে আয়োজিত সমাবেশে দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেন, এ পৃথিবীতে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো শান্তি প্রতিষ্ঠা। সকলে আমরা শান্তির কথা বলি ; অথচ বিশ্বে যুদ্ধ-সংঘাত চলছে। কেন বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হচ্ছে না? এর কারণ হলো – আমরা পারফেক্ট মডেল অনুসরণ করছি। আমাদের জন্য পারফেক্ট আদর্শ হলেন প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মানবতা, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ন্যায় ও বৈষম্যহীন চেতনা। একমাত্র তিনিই ‘মদীনা সনদ’ এর আলোকে কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে তুলেছিলেন। এখানে নারীদের মর্যাদা, জাতি-বর্ণ-ধর্ম নির্বিশেষে সকলের ন্যায্য অধিকার, নিরাপত্তা ও সুযোগের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। সুফিরাও প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর এ মহান আদর্শ বাস্তবায়নে নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। কেউ কেউ সামাজিকভাবে মানুষের মাঝে দাওয়াত দেয়ার মাধ্যমে চেষ্টা করেছেন। আবার কেউ কেউ রক্তও ঝড়িয়েছেন। শায়খুল ইসলাম, হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী (কঃ)ও বিংশ শতকের প্রথম সারির একজন প্রখ্যাত সুফি ব্যক্তিত্ব ছিলেন। জাতিসংঘ, ইউনেস্কোসহ বিশ্বের সকল মহাদেশেই তিনি শান্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রিয় নবিজী (দ.) এর আদর্শ তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশেও তিনি প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ইসলামের শান্তির বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি সমাজের দুঃখপীড়িত, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে বুকে টেনে নিয়েছেন। মানুষের মাঝে দয়া, সহমর্মিতা, পরমতসহিষ্ণুতা ও মানবিক গুণাবলি গড়ে তুলতে পেরেছেন। আজ তার কোটি অনুসারী যারা রয়েছেন, তারা মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করেন, তারা দুর্নীতির আশ্রয় নেন না, তারা প্রতারণা করেন না, তারা অন্যের ক্ষতি করেন না, অন্যের উপকারের চেষ্টা করেন। এটিই কি বড় সফলতা নয়? মানুষের অন্তর যারা জয় করতে পারেন, তারা চিরকাল বেঁচে থাকবেন মানুষের অন্তরে।”
শায়খুল ইসলাম শাহসুফী মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আলহাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভান্ডারি(ক.)’র ১৩তম বার্ষিক ওরশ শরীফ শেষে ফাতেহা শরীফ উপলক্ষ্যে খতমে কোরআন, খতমে গাউসিয়া, খতমে বোখারী শরীফ শেষে আখেরী মুনাজাত করেন আলহাজ্ব শাহসুফি সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী।
এ সময় গত মাসের ১২ তারিখের পর থেকে বৈষম্য বিরোধী কোটা আন্দোলনে নিহত শহিদগণের রুহের মাগফিরাত কামনায় এবং বাংলাদেশে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের একতার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী।














