ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ২৭ আগস্ট ২০২৫ , ১২:৪২:২৩ প্রিন্ট সংস্করণ
জাতি যখন দিশেহারা হয়, তখন কাজী নজরুল ইসলামের লেখা হয়ে ওঠে আদর্শ—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, “ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে স্বাধীনতার সংগ্রাম, নব্বইয়ের গণআন্দোলন কিংবা সাম্প্রতিক দুনিয়া কাঁপানো ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি জাতীয় অর্জন ও সংগ্রামে নজরুলের গান ও কবিতা মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছে, রাজপথে এনেছে।”
বুধবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রিজভী এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “উন্নত ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মূলমন্ত্র কাজী নজরুল ইসলামের চেতনা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ জাতীয় আন্দোলন সংগ্রামের অনুপ্রেরণাও ছিলেন এই কবি।”
বিএনপির এই মুখপাত্র জানান, “কাজী নজরুল ইসলাম মানবতার কবি, প্রেমের কবি ও দ্রোহের কবি। স্বাধীনতার সংগ্রাম, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, নব্বইয়ের গণআন্দোলন কিংবা সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি জাতীয় অর্জন ও সংগ্রামে তার গান-কবিতা মানুষকে রাজপথে এনেছে।”
রিজভী বলেন, “আমরা তার গান গাইতে গাইতে, কবিতা আবৃত্তি করতে করতে রাজপথে নেমেছি। তার অনুপ্রেরণাতেই স্বৈরশাসনের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে পেরেছি। কিন্তু এখনো দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। রমজানের আগেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ১৫ বছরের বঞ্চিত মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।”
তিনি আরও দাবি করেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নজরুলের চেতনাকে ধারণ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
এসময় জাসাসের আহ্বায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খান, সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকন, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদ আউয়াল, যুগ্ম সম্পাদক রাজু আহমেদসহ বিভিন্ন সাংগঠনিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কবির সমাধিতে ফুল হাতে ভিড় করেন ভক্ত-অনুরাগী, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের নেতারা। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, নজরুল ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন সংগঠনও কবিকে শ্রদ্ধা জানায়। আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ শিক্ষার্থীরাও। রাজধানী ছাড়াও সারাদেশে কবিকে স্মরণে নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।















