আইন-আদালত

দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে আরও একজনের সাক্ষ্যগ্রহণ

  প্রতিনিধি ১৬ জুলাই ২০২৬ , ৪:৪০:১৮ প্রিন্ট সংস্করণ

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আরও এক জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। আজ বৃস্পতিবার সাক্ষ্য দেওয়া এ সাক্ষী বিটিএমসি বস্ত্র অধিদপ্তর (কারিগরি) সহকারী পরিচালক মো. ফয়সাল কবির।

ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আব্দুল্লাহ আল মামুনএ সাক্ষীর জবানবন্দি প্রদান করেন। তার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আগামী ১৭ আগস্ট পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করেছেন আদালত।

এ নিয়ে মামলাটিতে ২৮ জনের সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলো।

দুদকের পক্ষের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম এতথ্য নিশ্চিত করেন।

গত ৮ মার্চ মামলার চার্জশিট আমলে গ্রহণ করে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এরপর গত ৩ মে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত।

২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনজীরের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে অভিযোগপত্র দেন হাফিজুল ইসলাম।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়। এতে মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে।

আরও বলা হয়, বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা। ব্যয় বাদে নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। ফলে বেনজীর আহমেদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। বেনজীর আহমেদ এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

আরও খবর

Sponsered content