সারাদেশ

পলাশবাড়ীতে জামায়াত-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১০

  প্রতিনিধি ৩০ জুন ২০২৬ , ১২:৪৪:১৯ প্রিন্ট সংস্করণ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের জুনদহ এলাকায় জামায়াত-বিএনপি’র নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায়-দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের জুনদহ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

এদিনের সংঘর্ষে পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সদস্য মিল্লাত সরকার মিলন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ক শামীম রেজা, বরিশাল ইউনিয়ন জামায়াত নেতা আশরাফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মিজান, আবু আলা, ছাত্রশিবির নেতা আল আমিনসহ অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

জানা যায়, খবর পেয়ে পলাশবাড়ী থানা পুলিশের একটি টিম তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছলে উদ্ভুদ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

উপজেলা জামায়াত-শিবির এবং বিএনপি নেতাকর্মীও সমর্থকদের মাঝে আকস্মিক সংঘর্ষের ঘটনায় পরস্পর বিরোধী চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। সেইসঙ্গে উভয় সংগঠনের উপজেলা থেকে শুরু করে তৃণমুল ইউনিয়ন পর্যায় নেতাকর্মীদের মাঝে চরম অসন্তোষসহ টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

তবে সংঘর্ষ ঘটার নেপথ্যের মূল সূত্রপাত সম্পর্কে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সঠিক কিছু জানা যায়নি।

আহত বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক এবং অবস্থার অবনতি ঘটলে পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

‎এদিকে এদিন গভীর রাত ১টার দিকে পৃথক হামলায় বরিশাল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড জামায়াতে কর্মী মিজানুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুরসহ তাকে কুপিয়ে আহত করা হয়। একই

সময় উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আজহারুল ইসলামের বাবা আবুআলাকেও আহত করা হয় বলে জানা যায়।

অপরদিকে জামায়াত নেতা রুহুল আমিনের জুনদহ বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পৃথক হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুরসহ লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি, বর্তমান শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি আশরাফুল ইসলামকে বিএনপি ধাওয়া করে গুরুতর আহত করে।

এসময় বিএনপির নেতাকর্মীরা জামাত-শিবিরের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়ি ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে বলে জানা যায়।

সৃষ্ট সংঘর্ষের জেরে জামায়াত-বিএনপি’র মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। ফলে এনিয়ে উভয় সংগঠনের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

থানা অফিসার ইনচার্জ সারোয়ারে আলম খান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও খবর

Sponsered content