নিজস্ব প্রতিবেদক: ২৫ নভেম্বর ২০২৫ , ১:৪৮:৫০ প্রিন্ট সংস্করণ
রাজধানীর অন্যতম জলাশয় বনানীর কড়াইল ঝিল এখন রূপ নিয়েছে ঘনবসতিপূর্ণ বস্তিতে। এক সময়ের খোলা জলাশয় দখল করে গড়ে উঠেছে সারি সারি ঘর। নিম্ন আয়ের মানুষদের আশ্রয় হলেও দখলদারদের তালিকায় রয়েছেন সিটি করপোরেশনের কিছু কর্মচারী থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।
টিএন্ডটি (বিটিসিএল) খেলার মাঠ সংলগ্ন কড়াইল ঝিল বহু আগেই দখলদারদের কবলে যায়। জলের অস্তিত্ব প্রায় নেই; জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে ময়লার স্তূপ। ঝিলের অবশিষ্ট যে অংশটুকু ছিল, সেখানেও চলছে দখলের মহোৎসব। প্রতিদিনই উঠছে নতুন ঘর। স্থানীয়দের দাবি, এখনই ব্যবস্থা না নিলে রাজধানীর এই জলাশয়ের ঠিকুজি-নকশাই হারিয়ে যাবে।
সরেজমিনে বসতির সরু গলি পেরিয়ে পৌঁছালে দেখা মেলে সামান্য অবশিষ্ট জলাধারের। সেখানেও বাঁশের মাচায় দখল করে নতুন ঘর তুলছেন প্রভাবশালীরা। বসবাসকারীদের অভিযোগ, এসব দখলদারদের কাছ থেকেই ভাড়া নিয়ে থাকতে হয় তাদের। ভাড়া আদায়কারীদের মধ্যে রয়েছেন সিটি করপোরেশনের কিছু কর্মচারী এবং রাজনৈতিক দলের বনানীর স্থানীয় নেতারা। জানা যায়, ঝিল ভরাট করে তোলা প্রতিটি ঘর ৩ থেকে ৪ লাখ টাকায় বিক্রি করছেন দখলদাররা।
প্রকাশ্য দখল চলতে থাকলেও রাজউক এখনো কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেয়নি। বিষয়টি জানতে চাইলে প্রথমে অসহায়ত্ব প্রকাশ করলেও পরে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন রাজউকের চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “যদিও জায়গাটা পুরোপুরি আমাদের মালিকানাধীন নয়, কিন্তু এটি আমাদের আওতাধীন এলাকায় পড়ে। এ বিষয়ে টিম পাঠানো হবে। তারা গিয়ে খতিয়ে দেখবে কারা এসব দখলদারি করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”





















