এম.আমিরুল ইসলাম জীবন.স্টাফ রিপোর্টার ৪ জুলাই ২০২৬ , ১১:৪৬:৩৯ প্রিন্ট সংস্করণ
যশোরের ঝিকরগাছায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আলোচনা সভা ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঝিকরগাছা উপজেলা শাখা।
শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল ৫টায় ঝিকরগাছা বাজারের ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে থানার মোড় প্রদক্ষিণ করে উপজেলা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যশোর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য এবং উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, গণতন্ত্র সুদৃঢ় করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিবাদী সরকারের সহযোগীদের অপসারণের কথা বললেও বর্তমানে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল আলিম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্য, চাঁদাবাজি, হত্যা ও ধর্ষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে নতুন কোনো আন্দোলনের প্রয়োজন হবে না।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম খানের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা নায়েবে আমীর সহকারী অধ্যাপক হারুন অর রশিদ, সহকারী সেক্রেটারি মাস্টার আব্দুর রকিম, উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. আবিদুর রহমান, পেশাজীবী সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা দ্বীন ইসলাম, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. আলমগীর কবির এবং উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ঈসা মাহমুদ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য হাফেজ রেজাউল করিম, মাওলানা ফখরুল ইসলাম, হাফেজ আবু জাফর, অধ্যাপক মশিউর রহমান, পৌর জামায়াতের আমীর আব্দুল হামিদ, বাঁকড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাবিব কায়সার, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের পৌর সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদসহ উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা।
আলোচনা সভা শেষে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা “আবু সাঈদ, মুগ্ধ শেষ হয়নি যুদ্ধ”, “জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি মানি না, মানব না”, “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে” এবং “গণভোটের গণরায় মানতে হবে”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।





















