চাকরি

নওগাঁ-৪ আসনে উত্তেজনা: মান্দায় জামায়াতের শোডাউন, গণসংযোগ ও পথসভা

  নওগাঁ প্রতিনিধি: ২২ আগস্ট ২০২৫ , ৮:৫২:২৮ প্রিন্ট সংস্করণ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার ৮ নম্বর কুসুম্বা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও হাট-বাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীদের নেতৃত্বে বিশাল গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

গণসংযোগে শতাধিক মোটরসাইকেলের শোডাউন প্রদর্শন করা হয়, যা এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। স্থানীয়দের মতে, এটি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শোডাউনগুলোর একটি।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, নওগাঁ জেলা আমির ও মান্দা আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) পদপ্রার্থী খন্দকার মুহাম্মদ আব্দুর রাকিব। তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মোস্তফা আল-আমিন।

গণসংযোগ চলাকালে কুসুম্বা ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল এলাকায় পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসব সভায় প্রার্থীরা দলের আদর্শ, ভিশন ও নির্বাচনী অঙ্গীকার তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি পদপ্রার্থী খন্দকার মুহাম্মদ আব্দুর রাকিব বলেন, “গত ৫৪ বছরে দেশের মানুষ নানান প্রতীক আর প্রতিশ্রুতি দেখেছে। এবার সময় এসেছে দাঁড়িপাল্লার বাংলাদেশ গড়ার। আমরা ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, বৈষম্যহীন, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি কল্যাণরাষ্ট্র গড়তে চাই। ইসলাম ও ইনসাফের ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা উন্নয়ন চাই, তবে তা যেন ন্যায়বিচার ও সুশাসনের সঙ্গে সমন্বিত হয়। ক্ষমতায় গেলে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপসহীন ভূমিকা রাখবে জামায়াত।”

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা মোস্তফা আল-আমিন বলেন, “মান্দাবাসীর সার্বিক উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। জনগণই আমাদের শক্তির উৎস। ইসলাম, ইনসাফ ও আমানতের ভিত্তিতে আমরা একটি আদর্শ স্থানীয় সরকার গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

পথসভা ও গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির ডা. মাওলানা আমিনুল ইসলাম, যুব জামায়াতের সভাপতি আব্দুল মালেক, কুসুম্বা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আলহাজ আমজাদ হোসেনসহ স্থানীয় জামায়াত ও এর অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

পথসভায় ছিল দলীয় স্লোগান, দোয়া এবং জনসাধারণের উদ্দেশে নানা সামাজিক বার্তা। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ শোডাউনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের সক্রিয় উপস্থিতি জানান দিয়েছে। পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে ও দলের বার্তা পৌঁছে দিতে এমন আয়োজন কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলেও তারা মনে করছেন।

আরও খবর

Sponsered content