প্রতিনিধি ৩০ নভেম্বর ২০২৫ , ১২:২২:১৫ প্রিন্ট সংস্করণ
চিরঘুমের দেশে পাড়ি জমালেন ‘
চিরঘুমের দেশে পাড়ি জমালেন ‘একটা চাদর হবে চাদর’খ্যাত জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন। হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে গতকাল শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে সংগীতাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
গায়কের পারিবারিক নাম ছিল গালিব আহসান মেহেদি। সেখান থেকে শ্রোতাদের কাছে তিনি ‘জেনস সুমন’ নামেই পরিচিতি পান। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে শ্রোতাদের অনেকে সুমনের কণ্ঠ শুনে ‘নগরবাউল জেমস’ ভেবেও ভুল করতেন! সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয় যে তিনি জেমস নন, জেনস সুমন। তবে এই গায়কের পরিবর্তিত নামটি এসেছে রকস্টার জেমসের থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে। নামটি রেখেছিল তৎকালীন স্বনামধন্য অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সারগাম।
তবে জীবদ্দশায় এই নাম নিয়ে সুমনকে মাঝেমধ্যেই বিতর্কে পড়তে হয়েছে। শ্রোতামহলে জেনস সুমন ও জেমস নিয়ে একটা কানাঘুষা সবসময়ই ছিল। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে কীভাবে তার আসল নাম পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল, সেই গল্প শেয়ার করেছিলেন জেনস সুমন নিজেই।
বলেছিলেন, ‘আমার প্রথম অ্যালবামের নাম “আশীর্বাদ”। এটি মুক্তির সময়ই আমার নাম বদলে যায়। আমি নিজেও জানতাম না। জেনস সুমন নামে আমার অ্যালবাম মুক্তি পেল। আমার নাম গালিব আহসান মেহেদি, ডাক নাম সুমন। সারগামের বাদল ভাই বললেন, তোমার কণ্ঠ জেমসের মতো। তাই জেনস সুমন দিয়েছি।’
অন্য একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘কোম্পানি তাদের মার্কেটিং সুবিধার জন্য এই কাজ করেছিল। তখন আমার বয়সও কম। নামের রাজনীতি বুঝতে পারিনি। পরে আমি বলি, আমার নামে পরিচিত হতে চাই আমি। “অতিথি” অ্যালবামে নাম দেওয়া হয় জেনস সুমন। এরপর “১টা চাদর হবে” অ্যালবামে আমার নাম শুধু সুমন ব্যবহার করা হয়। জেনস বাদ দেওয়া হয়।’
২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় সুমনের ‘মন চলো রূপের নগরে’ অ্যালবামটি। এরপর দীর্ঘ ১৬ বছরের বিরতি। অবশেষে গত বছর সেই বিরতি ভেঙে যখন আবারও গানে ফেরেন, সেসময় এক প্রশ্নে তিনি বলেছিলেন, ‘এখন আবার গান করতে এসে দেখছি সবাই আমার জেনস সুমন নামটি ব্যবহার করতে চাইছে। তারা বলছে “এই নামে আপনাকে সবাই চেনে, আর সুমন নামের এখন অনেকেই আছে জেনস দিয়ে আইডেন্টিফিকেশন সহজ হয়।” আমি আসলে এই ব্যাপারটা নিয়ে এখন আর সিরিয়াস না। জেনস সুমন নাকি সুমন, নামে কী আসে যায়!’
উল্লেখ্য, নব্বই দশকের শেষদিকে পেশাদার শিল্পী হিসেবে সংগীতাঙ্গনে প্রবেশ করেন জেনস সুমন। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’। তবে ২০০২ সালে বিটিভির একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে ‘একটা চাদর হবে চাদর’ গানটি প্রচারিত হলে দেশজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি।
চাদর’খ্যাত জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন। হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে গতকাল শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে সংগীতাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
গায়কের পারিবারিক নাম ছিল গালিব আহসান মেহেদি। সেখান থেকে শ্রোতাদের কাছে তিনি ‘জেনস সুমন’ নামেই পরিচিতি পান। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে শ্রোতাদের অনেকে সুমনের কণ্ঠ শুনে ‘নগরবাউল জেমস’ ভেবেও ভুল করতেন! সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয় যে তিনি জেমস নন, জেনস সুমন। তবে এই গায়কের পরিবর্তিত নামটি এসেছে রকস্টার জেমসের থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে। নামটি রেখেছিল তৎকালীন স্বনামধন্য অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সারগাম।
তবে জীবদ্দশায় এই নাম নিয়ে সুমনকে মাঝেমধ্যেই বিতর্কে পড়তে হয়েছে। শ্রোতামহলে জেনস সুমন ও জেমস নিয়ে একটা কানাঘুষা সবসময়ই ছিল। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে কীভাবে তার আসল নাম পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল, সেই গল্প শেয়ার করেছিলেন জেনস সুমন নিজেই।
বলেছিলেন, ‘আমার প্রথম অ্যালবামের নাম “আশীর্বাদ”। এটি মুক্তির সময়ই আমার নাম বদলে যায়। আমি নিজেও জানতাম না। জেনস সুমন নামে আমার অ্যালবাম মুক্তি পেল। আমার নাম গালিব আহসান মেহেদি, ডাক নাম সুমন। সারগামের বাদল ভাই বললেন, তোমার কণ্ঠ জেমসের মতো। তাই জেনস সুমন দিয়েছি।’
অন্য একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘কোম্পানি তাদের মার্কেটিং সুবিধার জন্য এই কাজ করেছিল। তখন আমার বয়সও কম। নামের রাজনীতি বুঝতে পারিনি। পরে আমি বলি, আমার নামে পরিচিত হতে চাই আমি। “অতিথি” অ্যালবামে নাম দেওয়া হয় জেনস সুমন। এরপর “১টা চাদর হবে” অ্যালবামে আমার নাম শুধু সুমন ব্যবহার করা হয়। জেনস বাদ দেওয়া হয়।’
২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় সুমনের ‘মন চলো রূপের নগরে’ অ্যালবামটি। এরপর দীর্ঘ ১৬ বছরের বিরতি। অবশেষে গত বছর সেই বিরতি ভেঙে যখন আবারও গানে ফেরেন, সেসময় এক প্রশ্নে তিনি বলেছিলেন, ‘এখন আবার গান করতে এসে দেখছি সবাই আমার জেনস সুমন নামটি ব্যবহার করতে চাইছে। তারা বলছে “এই নামে আপনাকে সবাই চেনে, আর সুমন নামের এখন অনেকেই আছে জেনস দিয়ে আইডেন্টিফিকেশন সহজ হয়।” আমি আসলে এই ব্যাপারটা নিয়ে এখন আর সিরিয়াস না। জেনস সুমন নাকি সুমন, নামে কী আসে যায়!’
উল্লেখ্য, নব্বই দশকের শেষদিকে পেশাদার শিল্পী হিসেবে সংগীতাঙ্গনে প্রবেশ করেন জেনস সুমন। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’। তবে ২০০২ সালে বিটিভির একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে ‘একটা চাদর হবে চাদর’ গানটি প্রচারিত হলে দেশজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি।











