সারাদেশ

অনুমতি জটিলতায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে ঢুকতে না পেরে গেটেই কবর জিয়ারত করলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিব

  প্রতিনিধি ২২ জানুয়ারি ২০২৬ , ৭:৫১:০৯ প্রিন্ট সংস্করণ

সমাধিসৌধের গেটে দাঁড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের ভেতরে প্রবেশ করে কবর জিয়ারত করতে পারেননি গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব। পরে সমাধিসৌধের ৩ নম্বর গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে তিনি বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেন।

বৃহস্পতিবার  দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সেখান থেকেই তিনি নিজের নির্বাচনী প্রতীক ‘ফুটবল’ মার্কার প্রচারণা শুরু করেন। পরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বর ও পাটগাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট ও সমর্থন চান তিনি।

এর আগে হাবিব গওহরডাঙ্গা খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরীর কবর জিয়ারত করেন।

এ সময় সাংবাদিকদের হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, “গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এই আসনের মাটিতেই শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আলেম সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। এই দুই মহামানবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখেই আমি আমার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছি। প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের ভেতরে গিয়ে কবর জিয়ারত করতে পারিনি, তাই গেটের বাইরে দাঁড়িয়েই শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি।”

নিজের রাজনৈতিক অতীত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “একসময় আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। টুঙ্গিপাড়া ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি এবং জেলা বিএনপির সদস্যও ছিলাম। তবে অনেক আগেই আমি বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। ডাক বিভাগের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব বরাবর আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।”

দল থেকে বহিষ্কারের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমাকে এখন বহিষ্কার করার বিষয়টি হাস্যকর, কারণ আমি দলে নেই।”

এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হাবিব বলেন, “৫ আগস্টের পর থেকে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মানুষ মামলা ও গ্রেপ্তারের আতঙ্কে রয়েছেন। হয়রানির শিকার হয়ে অনেকেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যাঁরা রাজনীতি করেন, তাঁদের অনেকেই সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না; কেবল নিজের স্বার্থে নির্বাচনে অংশ নেন। আমি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চাই, তাঁদের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চাই। সকল অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতির লক্ষ্য।”

আরও খবর

Sponsered content