সারাদেশ

কুড়িগ্রামে শিফট প্রোগ্রামের আওতায় যুব ক্যাম্পেইনারদের দু’দিনব্যাপী কো-ক্রিয়েশন ওয়ার্কশপ

  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ৭:৫১:৩৪ প্রিন্ট সংস্করণ

“তোমার কণ্ঠই পারে পরিবর্তন আনতে”—এই শ্লোগানকে সামনে রেখে কুড়িগ্রাম জেলায় শিফট প্রোগ্রামের আওতায় নির্বাচিত যুব ক্যাম্পেইনারদের নিয়ে দু’দিনব্যাপী কো-ক্রিয়েশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি এ্যাসোসিয়েশন ফর অলটারনেটিভ ডেভেলপমেন্ট (এএফএডি)-এর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ কর্মশালায় জেলার ২০ জন নির্বাচিত যুবক ও যুবতী অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালাটি এএফএডি কর্তৃক বাস্তবায়িত শোওচার প্রকল্পের আওতায় এবং সেভ দ্য চিলড্রেন পরিচালিত শিফট প্রোগ্রাম-এর অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।

শিফট একটি আন্তর্জাতিক ক্যাম্পেইন অ্যাক্সিলারেটর প্রোগ্রাম, যার লক্ষ্য ১৪ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের সামাজিক ও পরিবেশগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে কার্যকর জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ডিজাইন ও বাস্তবায়নে সক্ষম করে তোলা। কো-ক্রিয়েশনভিত্তিক এ প্রোগ্রামের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব ক্যাম্পেইন পরিকল্পনা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের কৌশল, নেতৃত্ব ও অ্যাডভোকেসি দক্ষতা উন্নয়ন এবং জনসম্পৃক্ততা তৈরির কার্যকর পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। পাশাপাশি নিজস্ব ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের জন্য শিড ফান্ডিং সহায়তার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

দু’দিনব্যাপী কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য নির্ধারণ, লক্ষ্যভিত্তিক অডিয়েন্স চিহ্নিতকরণ, বার্তা উন্নয়ন, কনটেন্ট তৈরি এবং ডিজিটাল ক্যাম্পেইন কৌশল প্রণয়নের বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এছাড়াও মিডিয়া ও কমিউনিটি এনগেজমেন্ট বৃদ্ধি এবং ক্যাম্পেইনের প্রভাব মূল্যায়নের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা ও অনুশীলন অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এএফএডি’র নির্বাহী প্রধান সাইদা ইয়াসমিন, ম্যানেজার সাবিনা ইয়াসমিন, বিএমজেড পিটি প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী রফিকুল ইসলাম এবং শোওচার প্রকল্পের প্রজেক্ট ফোকাল কার্তিক চন্দ্র সেনসহ অন্যান্য প্রকল্প সমন্বয়কারীরা।

আলোচকরা বলেন, যুবসমাজের সৃজনশীলতা ও ডিজিটাল সক্ষমতা সামাজিক পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। যুব ক্যাম্পেইনারদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

যুব ক্যাম্পেইনার হিসেবে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব ক্যাম্পেইন পরিচালনার অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব ও যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ এবং শিফটের গ্লোবাল নেটওয়ার্কের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ সামাজিক নেতৃত্বের জন্য নিজেদের আরও সুসংগঠিত ও প্রস্তুত করতে সক্ষম হবেন তারা।

“তোমার কণ্ঠই পারে পরিবর্তন আনতে”—এই আহ্বানকে সামনে রেখে শিফট প্রোগ্রাম তরুণদের ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের অংশীদার হতে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

আরও খবর

Sponsered content