সারাদেশ

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের পথে, মির্জা ফখরুলের অবদানের কথা স্মরণ করলেন প্রথম ভিসি

  হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ২০ মে ২০২৬ , ৩:২৫:০১ প্রিন্ট সংস্করণ

দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, অপেক্ষা ও বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়। উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের এই উদ্যোগের পেছনে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অবদানের কথা স্মরণ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ড. ইসরাফিল শাহীন।

মঙ্গলবার (১৯ মে) ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “উপাচার্য হওয়াতে আমি কোনো আত্মগৌরব অনুভব করি না। এটি একটি বড় দায়িত্ব। সকলের সহযোগিতায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মানসম্মত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে চাই।”

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঠাকুরগাঁওবাসী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন লালন করে এসেছে। সেই স্বপ্ন এখন বাস্তবতার পথে এগোচ্ছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের আত্মমর্যাদা, সম্ভাবনা ও অগ্রগতির প্রতীক হয়ে উঠবে।

ড. ইসরাফিল শাহীন আরও বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ও শিল্পখাতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। মেডিকেল কলেজ, বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগ, ইপিজেড বাস্তবায়নের পরিকল্পনা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এ অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন গতি সৃষ্টি করবে।

তিনি বলেন, “ঠাকুরগাঁও এখন নতুন সকালের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি এ অঞ্চলের জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, সংস্কৃতি ও মানবিক বিকাশের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।”

মতবিনিময় সভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক রয়েছে এবং তাঁর নেতৃত্ব ও উদ্যোগের কারণে এ অঞ্চলে উন্নয়নের নতুন ধারা সূচিত হয়েছে।

তিনি বলেন, “তিনি আমার ওপর আস্থা রেখেছেন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে নিতে। সম্ভবত তাঁর পরামর্শেই আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।”

সভায় উপস্থিত সাংবাদিক, সুধীজন ও স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেন, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার নতুন যুগের সূচনা করবে এবং ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিদ্যাপীঠ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও খবর

Sponsered content