নাহিম মিয়া, স্টাফ রিপোর্টার (সিলেট): ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ , ৫:০৯:০৩ প্রিন্ট সংস্করণ
সিলেটের সীমান্ত জনপদ ও পর্যটনসমৃদ্ধ ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরে জুম‘আ নামাজের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর জামে মসজিদের। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিকতায় ভোলাগঞ্জ চুনাপাথর আমদানিকারকসহ স্থলবন্দরে কর্মরত কয়েকশ মুসল্লী ও স্থানীয়রা এতে অংশ নিয়ে নামাজ আদায় করেন।
জুম‘আ নামাজের আগে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সচিব মোঃ সরোয়ার আলম এবং সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মোঃ গিয়াস উদ্দিন মুসল্লীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন। তাঁরা দৃষ্টিনন্দন মসজিদটির সার্বিক পরিবেশ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থানীয়দের সহযোগিতা ও সচেতনতা কামনা করেন। পাশাপাশি স্থলবন্দরের অন্যান্য আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন—যেমন ভবনগুলোর নেমপ্লেট স্থাপন ও লাইটিং কাজ—ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান কর্তৃপক্ষ।
নয়া মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা ক্বারী আব্দুল্লাহ আল মুমিন মুসল্লীদের উদ্দেশ্যে বয়ান ও খুতবা প্রদান করেন। নামাজ শেষে মোনাজাতের মাধ্যমে মসজিদের সার্বিক কল্যাণ, ব্যবসায়ী এবং বন্দরে কর্মরতদের মঙ্গল কামনা করা হয়।
এদিকে দৃষ্টিনন্দন মসজিদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। ভোলাগঞ্জ চুনাপাথর আমদানিকারক গ্রুপের সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম বলেন, “অত্যাধুনিক এই মসজিদ নির্মাণের ফলে আমরা ব্যবসায়ীরা ওজু ও জরুরি সুযোগ-সুবিধাসহ সম্মানজনক পরিবেশে নামাজ আদায় করতে পারবো। এতে আমরা ভীষণ খুশি। পাশাপাশি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আসা-যাওয়ার কারণে ফরজ ইবাদত পালনে এটি সহায়ক হবে।”
চুনাপাথর ব্যবসায়ী মোঃ জসিমুল ইসলাম আঙ্গুর ও আক্তারুজ্জামান নোমান বলেন, “ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদে নামাজ শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ীসহ আগত পর্যটকদের বড় সুবিধা হয়েছে। মসজিদের সামনে গাড়ি পার্কিং, মানসম্মত ওজুসহ সব সুবিধা থাকায় বেশ ভালো লাগছে।” তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ সাদাপাথর দেখতে আসা পর্যটক নারী মুসল্লীদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করার দাবিও জানান।
প্রসঙ্গত, ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর গত দুই বছরে অবকাঠামো উন্নয়ন শেষে গত বছরের শেষের দিকে উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।




















