প্রতিনিধি ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ , ১০:৪৬:০৯ প্রিন্ট সংস্করণ
রংপুরের খুচরা বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে পোলট্রি মুরগির ডিম ও পেঁয়াজের দাম কমেছে। পাশাপাশি কিছু সবজির দামেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। তবে চাল-ডাল, মাছ ও মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা পর্যায়ে এক হালি পোলট্রি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৬ থেকে ৩৮ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ টাকা।
বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম ৫৫-৬০ টাকা থেকে কমে ৪৫-৫০ টাকায় নেমেছে। আমদানি করা পেঁয়াজও একই দামে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম গত সপ্তাহের মতোই ৯০-১০০ টাকা কেজিতে স্থির রয়েছে।
সবজি বাজারে দেখা গেছে, টমেটোর দাম কেজিপ্রতি ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকায় নেমেছে। মূলা ৩৫-৪০ টাকা, গাজর ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপির দাম কিছুটা বেড়ে ৩৫-৪০ টাকা হলেও বাঁধাকপি ২৫-৩০ টাকায় স্থিতিশীল। পটল ও বরবটির দাম বেড়েছে, অন্যদিকে শিম, লাউ, পেঁপে, শসা ও করলার দাম আগের মতোই রয়েছে।
দেশি আদা ১৪০-১৫০ টাকা, দেশি রসুন ১০০-১২০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ২২০-২৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। শুকনা মরিচের দাম ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি।
কামাল কাছনা বাজারের সবজি বিক্রেতা রমজান আলী জানান, ঢ্যাঁড়শ, ঝিংগা, পটল ও কাঁকরোলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় এসব সবজির দাম বাড়তির দিকে। তবে দেশি পেঁয়াজের আমদানি বেড়ে যাওয়ায় দাম কমেছে।
আলুর বাজারে পুরনো কার্ডিনাল আলু ১৫-২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও নতুন আলুর দাম তুলনামূলক বেশি। বগুড়ার লাল পাকড়ি আলুর দাম কমে ৩৫-৪০ টাকায় নেমেছে।
মুরগির বাজারে ব্রয়লার ১৫০-১৬০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি ২৭০-২৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫০০-৫২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকা কেজিতে অপরিবর্তিত রয়েছে।
চালের বাজারেও বড় কোনো পরিবর্তন নেই। মিনিকেট চাল ৮৫-৯০ টাকা এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে রুই, কাতল, পাঙাশ, তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন মাছের দাম আকারভেদে আগের সপ্তাহের মতোই রয়েছে।




















