সারাদেশ

সাতক্ষীরার চার আসনে যাচাই-বাছাই শেষে ১৯ প্রার্থী বৈধ, বাতিল ১০ জনের মনোনয়ন

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: ৩ জানুয়ারি ২০২৬ , ৭:১৮:৪৭ প্রিন্ট সংস্করণ


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে দাখিলকৃত ২৯টি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১৯ জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) সাতক্ষীরা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাচন অফিসে মোট ২৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

সাতক্ষীরা-১ আসন:
এই আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মুজিবর রহমান প্রয়োজনীয় ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর দাখিল না করায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বৈধ ঘোষিত ৫ জন প্রার্থী হলেন— বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. ইয়ারুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর মো. ইজ্জত উল্লাহ, জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান, বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. রেজাউল করিম।

সাতক্ষীরা-২ আসন:
৮ জন প্রার্থীর মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থী শেখ মাতলুব হোসেন লিয়নের মনোনয়নপত্র রুহুল আমিন হাওলাদারের স্বাক্ষর নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত না হওয়ায় বাতিল করা হয়। বাকি ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা-৩ আসন:
এ আসনে ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শহিদুল আলমের মনোনয়ন ১ শতাংশ ভোটারের তালিকায় একজন মৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর থাকায় বাতিল করা হয়। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ আসাফউদ্দৌলা খান ও আসলাম আল মেহেদী স্বাক্ষরের তালিকা দাখিল না করায় এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ওয়েজ কুরনীর মনোনয়নও বাতিল করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা পেয়েছেন ৪ জন।

সাতক্ষীরা-৪ আসন:
৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন— বিএনপির মো. মনিরুজ্জামান, জামায়াতে ইসলামীর জিএম নজরুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এস এম মোস্তফা আল মামুন। বিদ্যুৎ বিল বকেয়া, ঋণ খেলাপি ও প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর না থাকায় ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

এদিকে, চারটি আসনে মোট ৩৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জমা দেন ২৯ জন। যাচাই-বাছাই শেষে ১৯ জনকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতার জানান, নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে যাচাই-বাছাই শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও খবর

Sponsered content