তথ্যপ্রযুক্তি

নিত্যপণ্যের বাজারে লাগামহীন দাম বৃদ্ধি, চাপে সাধারণ ক্রেতারা

  প্রতিনিধি ২২ আগস্ট ২০২৫ , ৩:০৯:৫৬ প্রিন্ট সংস্করণ

কয়েকমাস স্থিতিশীল থাকার পর গত জুলাই থেকে ফের ঊর্ধ্বমুখী নিত্যপণ্যের বাজার। শাক-সবজি, ডিম, মুরগি, চাল, মাছসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে— আলু, কচু ও কাঁচা পেঁপে ছাড়া অন্য কোনো সবজি ৮০ টাকার নিচে নেই। ঢ্যাঁড়স-পটোল বিক্রি হচ্ছে ৮০–১০০ টাকায়, আর বরবটি, বেগুন, চিচিঙ্গা, কাঁকরোল ১০০–১২০ টাকায়। কাঁচামরিচের দাম এক লাফে ২০০ থেকে ৩২০ টাকায় উঠেছে।

সবজির পাশাপাশি বেড়েছে ডিম ও মুরগির দাম। এক ডজন ডিম এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫০–১৫৫ টাকায়, যা এক মাস আগেও ছিল ১২০–১২৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৭০–১৮০, সোনালি ৩২০–৩৪০ এবং দেশি মুরগি ৬০০–৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত আছে। গরুর মাংস ৭৫০–৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১,২০০ টাকা কেজি।

ডালের বাজারেও চাপ বেড়েছে। দেশি মসুর ডাল কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়, ভারতীয় মসুর ৯৫–১০৫ টাকায়। আটা কেজিপ্রতি ৪৫–৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পেঁয়াজের পাইকারি দামে কিছুটা স্বস্তি এলেও খুচরায় এখনও দেশি পেঁয়াজ ৮০–৮৫ এবং আমদানি করা ৬০–৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রসুনের কেজি ৮০ থেকে ১৮০ টাকা।

মাছের বাজারেও চড়া দাম। এক কেজি ওজনের ইলিশ ২,২০০ টাকা, আর দেড় কেজির ইলিশ ৩,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুই, কাতল, কোরাল, বোয়াল, ট্যাংরা, পাবদা ও শিং— সব ধরনের মাছের দাম বেড়েছে।

বিক্রেতাদের দাবি, সরবরাহ কম থাকায় এ পরিস্থিতি। অনেক এলাকায় বন্যায় ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় সবজি সংকট তৈরি হয়েছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানির পরও পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় বাজারে চাপ অব্যাহত।

ক্রেতারা বলছেন, এখন আর শুধু মাছ-মাংস নয়, সাধারণ শাক-সবজিও আর হাতের নাগালে নেই।

আরও খবর

Sponsered content