এম.আমিরুল ইসলাম জীবন, স্টাফ রিপোর্টার: ২৩ নভেম্বর ২০২৫ , ৫:৪৩:৩৬ প্রিন্ট সংস্করণ
যশোরের ঝিকরগাছায় সরকারি কৃষি প্রণোদনার মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ ও সার বিতরণে তাদের মধ্যে স্বাচ্ছন্দ্য ও উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাত থেকে খরিপ-১ মৌসুমে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছে। এতে ৩১০ জন কৃষক মাথা প্রতি ১ কেজি নাসিক ঘ-৭৩ জাতের বীজ, ২০ কেজি ডিএপি, ২০ কেজি এমওপি সার ও বালাইনাশক বাবদ নগদ ৩৫৫ টাকা করে পেয়েছেন।
উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা ইতোমধ্যেই গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ আবাদে লাভের মুখ দেখছেন। গদখালী ইউনিয়নের বারবাকপুর গ্রামের তরিকুল ইসলাম, ঝিকরগাছা সদর ইউনিয়নের মিশ্রিদেয়াড়া গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেন, লাউজানী গ্রামের নাসির উদ্দিন ও নাভারণ ইউনিয়নের আমিনী গ্রামের মনিরুজ্জামানের তথ্য মতে, বিঘাপ্রতি ৩৮,৫০০ থেকে ৪২,৫০০ টাকা ব্যয় করে প্রতি হেক্টর ১৪-১৬ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। এর আনুমানিক বাজার মূল্য ১.৫ থেকে ২ লক্ষ টাকার মতো।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নূরুল ইসলাম জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর পেঁয়াজ আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। সকল উপসহকারী কৃষি অফিসার মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে উৎসাহিত করছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, সংকটময় সময়ে পেঁয়াজের মজুদ ও উৎপাদন সমান্তরাল রাখার ক্ষেত্রে ঝিকরগাছার কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে অব্যাহতভাবে কাজ করবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. রনী খাতুন বলেন, “উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অফিসসহ অন্যান্য বিভাগ এভাবে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাবে। সারাদেশ হয়তো একদিন ঝিকরগাছাবাসীকে অনুকরণ করবে। আমাদের উন্নয়নের পথে দল, মত, শ্রেণী ও বর্ণ সবকিছুকে একপাশে রেখে সবাইকে একসঙ্গে এগোতে হবে।”




















