নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ এপ্রিল ২০২৬ , ১:২৬:৫৪ প্রিন্ট সংস্করণ
এক্সিম ব্যাংকের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন জামাল কন্সট্রাকশন কোম্পানির প্রোপাইটর মো. জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া। তিনি ব্যাংকের সোনারগাঁও জনপদ শাখার একজন নিয়মিত গ্রাহক।
সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ১৮ জুন জামাল উদ্দিন তার মালিকানাধীন ১০ তলা ভবনের ৯টি ফ্ল্যাট (মোট ৯,১৮৫ বর্গফুট) বন্ধক রেখে এক্সিম ব্যাংক থেকে ১ কোটি টাকার বিনিয়োগ ঋণ গ্রহণ করেন। ঋণ গ্রহণের পর তিনি দীর্ঘদিন ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী মুনাফা পরিশোধ করে আসছিলেন এবং সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করেন।
তবে করোনা মহামারির সময় ব্যবসায় মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েন তিনি। এতে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকের মুনাফা পরিশোধে ব্যত্যয় ঘটে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ২০ আগস্ট তিনি ব্যাংকে ১০ লাখ টাকা জমা দেন। কিন্তু তখন তিনি জানতে পারেন, তার ফ্ল্যাট উচ্ছেদের জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা করেছে (মামলা নং-১৮৯/২৫)।
পরে ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর আদালতে দরখাস্ত দাখিল করে তিনি ঋণের সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধের অঙ্গীকার করেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি পর্যায়ক্রমে ১০ নভেম্বর ১০ লাখ টাকা, ১১ নভেম্বর ৩০ লাখ টাকা এবং পরবর্তীতে আরও ১ লাখ টাকাসহ মোট ৫১ লাখ টাকা জমা দেন।
ব্যাংকের দাবি অনুযায়ী মোট পাওনা ১ কোটি ৭৩ লাখ ৬৯ হাজার ৮১২ টাকা ৮৩ পয়সা। এ অর্থ পরিশোধে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন।
জামাল উদ্দিনের অভিযোগ, ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও একটি চক্রের যোগসাজশে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, আসাদুল আলম নামে এক ব্যক্তি নিজেকে শ্রমিক দলের নেতা পরিচয় দিয়ে তার ফ্ল্যাট দখলের চেষ্টা করছেন। একটি ফ্ল্যাটের দলিল দেখিয়ে বাকি ফ্ল্যাটগুলোও দখলের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দীর্ঘদিন সততার সঙ্গে ব্যবসা করেছি। কিন্তু এখন হয়রানির শিকার হচ্ছি। আমার প্রায় ৫ কোটি টাকার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চলছে।”
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।





















