নওগাঁ প্রতিনিধি ২৮ নভেম্বর ২০২৫ , ১০:৩০:১৪ প্রিন্ট সংস্করণ
নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজ নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য, মান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এম এ মতীন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি বিষ্ণপুর ইউনিয়নের পারশিমুলিয়া গ্রামে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের হাতে নগদ অর্থ ও শীতবস্ত্র তুলে দেন।
পরিদর্শন শেষে এম এ মতীন বলেন, “দুর্দিনে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গীকার। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি তোফাজ্জল হোসেন টুকু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন খান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামশুল ইসলাম বাদল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান ও শরীফুল ইসলাম বেলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আল–আমিন ফেন্সি, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব পলাশ কুমারসহ স্থানীয় নেতা–কর্মীরা।
এ ছাড়া বিষ্ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সহসভাপতি মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন শাহানা, কছিম উদ্দিন সরদার ও এমরান আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক জয়বুল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, প্রচার সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জালাল হোসেন, কৃষক দলের সভাপতি হাফিজ উদ্দিন, ছাত্রদলের সভাপতি তরিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক সিজারসহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের অসংখ্য নেতা–কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, কশব ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাসেম সরদার, সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন আলী, যুবদলের সভাপতি মাহফুজুর রহমান উজ্জ্বল, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক; প্রসাদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন খান, কাঁশোপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিদুজ্জামান সোহান, সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হকসহ আশপাশ এলাকার নেতাকর্মীরাও ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা জানান।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যরা বলেন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও সহায়তা তাঁদের এই দুর্দিনে বড় সান্ত্বনা দিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে একই গ্রামের পারশিমুলিয়া এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর ও একটি গোয়ালঘর পুড়ে যায়। আগুনে চারটি গরুসহ হাঁস–মুরগি, আসবাবপত্র, পোশাক ও শস্যদানা ভস্মীভূত হয়। স্থানীয়রা জানান, অকিম উদ্দিন মশা তাড়াতে গোয়ালঘরে ধোঁয়া দিলে অসাবধানতাবশত সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন পাশের রফিকুল ইসলামের ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা পানি ও বালতি নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটিতে গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন।




















