প্রতিনিধি ৪ এপ্রিল ২০২৬ , ১১:৩২:৪৫ প্রিন্ট সংস্করণ
আধিপত্য বিস্তার নিয়েভাঙ্গায় ২য় দফায় চার গ্রামবাসীর তিন ঘণ্টা ধরে চলছে সংঘর্ষ। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। পুলিশসহ উভয় দলের নারী পুরুষ কিশোর মিলিয়ে কমপক্ষে শতাধিক সমর্থক আহত হয়েছেন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে। পুলিশ দর্শকদের ভূমিকা পালন করছে বলে জানা যায়।
আজ শনিবার সকাল ৭টা থেকে তিন ঘণ্টা ধরে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদি ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে এক পক্ষে মুনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন এবং অন্যপক্ষে একই ইউনিয়নের খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিংগাড়িয়া এই তিন গ্রামের লোকজন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মুনসুরাবাদ গ্রামের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিংগাড়িয়া গ্রামের দীর্ঘদিনের আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় খাপুরা গ্রামের তিন যুবককে আখের রস খাওয়া নিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। সেই জের ধরে প্রথম দফায় সন্ধ্যার পরে ২ ঘণ্টা সংঘর্ষ চলে। রাত হওয়ার কারণে সংঘর্ষ থেমে যায়। সেই সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
রাত পোহানোর সঙ্গে সঙ্গে উভয় দল রাতভর সঙ্গবদ্ধ হয়ে সকালে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। মুনসুরাবাদ এলাকা এক রণক্ষেত্র পরিণত হয়।
উভয় দল বিল্ডিং-এর ছাদে, বাসা বাড়ির ছাদে দোকানের ছাদে, টিনের চালসহ বিভিন্ন আড়াল থেকে বৃষ্টির মত ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এতে পুলিশসহ উভয় দলের কমপক্ষে শতাধিক সমর্থকরা আহত হয়েছেন। পুলিশ কোনভাবেই নিয়ন্ত্রনে নিতে পারছে না। আহতদের ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এভাবে চলতে থাকলে নিহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, দাঙ্গা পুলিশ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
এ বিষয়ে ভাংগা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মিজানুর রহমান বলেন, ‘সংঘর্ষ দ্বিতীয় দফায় আবার শুরু হয়েছে আমরা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।’





















