মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি ৫ নভেম্বর ২০২৬ , ১:০৯:৪৬ প্রিন্ট সংস্করণ
একটি অডিও রেকর্ড ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের সূত্র ধরে প্রায় তিন বছর পর হবিগঞ্জের মাধবপুরে মহব্বত আলী হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় এক নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি বাড়ির সেফটি ট্যাংক থেকে নিহতের মরদেহের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জাহানারা বেগম (৩৪), তাঁর স্বামী শাহ আলম (৪২) এবং শাহ আলমের দুই ভাই ইয়াছিন মিয়া (২৪) ও জয়নার মিয়া (২৪)।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, ২০২৩ সালের ৩০ জুলাই মহব্বত আলীকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওই বছরের ১৮ আগস্ট মাধবপুর থানায় মামলা হয়। প্রথমে থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করলেও পরে এর দায়িত্ব পান জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম। পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় তিনি প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও একটি অডিও রেকর্ডের সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করেন।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ২৯ অক্টোবর মাধবপুর পৌর এলাকা থেকে জাহানারা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মনতলা এলাকা থেকে স্বামী শাহ আলম ও তাঁর দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়া এবং এ নিয়ে বিরোধের জেরে মহব্বত আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরে তাঁকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করা হয়। গ্রেপ্তার শাহ আলমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মাধবপুরের রামনগর এলাকায় প্রবাসী রুনা বেগমের বাড়ির সেফটি ট্যাংক থেকে মহব্বত আলীর মরদেহের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার জাহানারা বেগম ও শাহ আলম আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।





















