প্রতিনিধি ২২ আগস্ট ২০২৬ , ১২:৩৪:১৫ প্রিন্ট সংস্করণ
ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদিনহো বৃহস্পতিবার ইতালির এমিলিয়া-রোমানিয়া অঞ্চলে পৌঁছেছেন। ইতালির তৃতীয় স্তরের দল রাভেন্নার নতুন খেলোয়াড় হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার পর তাকে বরণ করে নিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিতেই সেখানে গেছেন তিনি। বাণিজ্যিক কৌশলের অংশ হিসেবে ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তি করেছেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। অন্তত একটি আনুষ্ঠানিক ম্যাচে তাকে মাঠে নামানোর প্রত্যাশা করছে রাভেন্না।
গত জুনে ৪৬ বছর বয়সে পেশাদার ফুটবলে ফেরার ঘোষণা দিয়েছিলেন রোনালদিনহো। উত্তর ইতালির এই ক্লাবটির হয়ে আবারও মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার ফোরলি বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। নতুন মৌসুম উপলক্ষে রাভেন্নার আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে।
ইতালিতে পৌঁছানোর পর রাভেন্না সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোনালদিনহোর কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে। সেখানে ফুটবলের এই কিংবদন্তিকে তাঁর পরিচিত ভঙ্গিতে দেখা যায়। দুই হাতের বুড়ো আঙুল ও কনিষ্ঠ আঙুল ছড়িয়ে বাকি আঙুলগুলো ভাঁজ করে রাখা এই ভঙ্গিটি রোনালদিনহোর অন্যতম পরিচিত অঙ্গভঙ্গি।
ব্যালন ডি’অরজয়ী ও ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা মিলান থেকে বিমানে করে এমিলিয়া-রোমানিয়া অঞ্চলে পৌঁছান। ইতালির মিলান ক্লাবের হয়ে আড়াই মৌসুম খেলেছিলেন তিনি। সেখানেই তার সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার লুকা মদরিচের দেখা হয় বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেই জানিয়েছেন রোনালদিনহো।
রাভেন্নার সভাপতি ইগনাজিও চিপ্রিয়ানির সঙ্গে রোনালদিনহোর দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ইতালীয় ব্যবসায়ী চিপ্রিয়ানি বিখ্যাত চিপ্রিয়ানি রেস্তোরাঁ গোষ্ঠীর মালিক পরিবারের সদস্য। নিজের শহরের প্রতি গভীর টান এবং রাভেন্নাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ২০২৪ সালে ব্যক্তিগত উদ্যোগ হিসেবে ক্লাবটি কিনেছিলেন তিনি।
রোনালদিনহোকে ঘিরে রাভেন্নার এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্লাবটির পরিচিতি বাড়ানো এবং বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ। এই উদ্যোগে ব্ল্যাক ডাকের মতো অংশীদার এবং নাইকির সঙ্গে করা বাণিজ্যিক চুক্তিও রয়েছে।
ইতালির তৃতীয় স্তরের এই দলের হয়ে অন্তত একটি আনুষ্ঠানিক ম্যাচে রোনালদিনহোর খেলার কথা রয়েছে। তবে ঠিক কবে তার অভিষেক হবে, তা এখনো জানায়নি ক্লাবটি।
প্রায় দুই মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে রোনালদিনহোর আনুষ্ঠানিক পরিচয়পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানেও তিনি বলেছিলেন, ফুটবল থেকে পাওয়া আনন্দই এখনো তাঁর মাঠে ফেরার মূল অনুপ্রেরণা।
তখন রোনালদিনহো বলেছিলেন, ‘ফুটবল সবসময় আমার কাছে আনন্দের বিষয়। রাভেন্নায় সেই আনন্দের চেতনা নিয়ে আসতে পেরে আমি রোমাঞ্চিত। জাদু শুরু হোক।’















