এম. আমিরুল ইসলাম জীবন, স্টাফ রিপোর্টার ২১ নভেম্বর ২০২৫ , ৫:০৬:৩৮ প্রিন্ট সংস্করণ
ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, দেশে যারা রাজনীতি করে তারা রাজনীতিকে ব্যবসায় পরিণত করেছে। ক্ষমতায় বসলে সাধারণ মানুষের খোঁজ কেউ রাখে না। দুর্নীতি ও বৈষম্যের কারণে দেশ আজও প্রকৃত মুক্তি পায়নি। “আমরা এমন রাজনীতি চাই যা হবে গরিবের জন্য, সমতার জন্য, মুক্তির জন্য এবং ইসলামের আদর্শে প্রতিষ্ঠিত”—সমাবেশে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে ঝিকরগাছা উপজেলা জামায়াতের আয়োজিত গণজমায়েতে তিনি আরও বলেন, “চিকিৎসা ব্যবস্থার আমল পরিবর্তন জরুরি। হাসপাতালগুলোকে সিন্ডিকেটমুক্ত করতে হবে। জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে তরুণ প্রজন্ম নতুন বাংলাদেশ পেয়েছে, কিন্তু ৫৪ বছরেও মানুষের মুক্তি হয়নি। যতদিন ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত না হবে, সংগ্রাম চলবে।”
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্ম ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এবার ভোটের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সময় এসেছে। “নির্বাচনের দিন কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। যারা নব্য ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটতে চায়, কেন্দ্র দখল বা অনিয়ম করতে চায়—তাদের পরিণতি ভয়াবহ হবে।”
তিনি অভিযোগ করেন, এখনো শেখ হাসিনাকে দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা চলছে। “খুনি হাসিনার রাজনীতি এ দেশে আর চলবে না। জুলাই বিপ্লব থামাতে আমাদের আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা হয়েছিল, তবুও সত্য ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য থেকে আমরা সরিনি।”
সমাবেশে তিনি যশোর–২ (চৌগাছা–ঝিকরগাছা) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদকে “জুলাইয়ের যোদ্ধা” উল্লেখ করে সমর্থন জানান এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে তার ভূমিকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
ঝিকরগাছার বিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ গণজমায়েতে প্রধান অতিথি ছিলেন এমপি প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক মো. আরমান হোসেন, যশোর–৩ আসনের প্রার্থী আব্দুল কাদের, যশোর–১ আসনের প্রার্থী আজিজুর রহমান, যশোর–৫ আসনের প্রার্থী গাজী এনামুল হক ও জামায়াত নেতা গোলাম কুদ্দুস।
সভাপতিত্ব করেন ঝিকরগাছা উপজেলা আমীর আব্দুল আলিম। বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা পশ্চিমের মো. ইসমাইল হোসেন। সঞ্চালনা করেন ঝিকরগাছা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম ও শিবির নেতা খালিদ বিন খলিল।




















