অপরাধ

দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৫ লক্ষাধিক টাকার মাদক ও চোরাচালানী পণ্য উদ্ধার

  কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ , ২:৪৭:০৫ প্রিন্ট সংস্করণ


কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর পৃথক অভিযানে সাড়ে ৫ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী পণ্য উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রবিবার বিকেল ৪টার দিকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বিজিবি।

বিজিবি সূত্র জানায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীনস্থ মহিষকুন্ডি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সীমান্ত পিলার ১৫৩/৫-এস হতে আনুমানিক ৬ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ডাংমড়কা চেকপোস্ট এলাকায় হাবিলদার মো. মুরাদ হোসেনের নেতৃত্বে বিজিবির টহল দল অভিযান চালিয়ে ভারতীয় ১৩ বোতল মদসহ মো. হাসিম আলী (৪৩) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করে।

আটক হাসিম আলী রাজশাহী জেলার দামপুরা থানার শিতলাই গ্রামের মৃত/আব্দুল আজিজের ছেলে বলে জানা গেছে।

অপরদিকে শনিবার রাত আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটে একই ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ পশ্চিম ধর্মদাহ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় আরেকটি অভিযান চালানো হয়। সীমান্ত পিলার ১৪৭/৪-এস হতে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাঁশঝাড় নামক স্থান থেকে হাবিলদার মো. আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির টহল দল মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ২৪ বোতল মদ ও ৬০০ পিস সিলডিনাফিল ট্যাবলেট উদ্ধার করে।

এছাড়াও রবিবার দুপুর ১২টার দিকে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ মিরপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। হাবিলদার মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ৬ হাজার ২০ প্যাকেট অবৈধ নকল বিড়ি উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি সূত্র আরও জানায়, পৃথক এসব অভিযানে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী পণ্যের মোট সিজারমূল্য ৫ লাখ ৬৮ হাজার ৬০০ টাকা।

এদিকে মাদকসহ আটক মাদক কারবারিকে দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য ধ্বংসের জন্য ব্যাটালিয়ন সিজার স্টোরে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং অবৈধ নকল বিড়ি কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।

মাদক ও চোরাচালানী পণ্য উদ্ধারের বিষয়ে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং মাদক পাচারসহ সব ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও চোরাকারবারি ও মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও খবর

Sponsered content