রাশেদ, স্টাফ রিপোর্টার (বগুড়া): ৪ নভেম্বর ২০২৫ , ৩:৫০:১০ প্রিন্ট সংস্করণ
বগুড়ায় পাওয়া যাচ্ছে মরুর দেশের গারলের রান্না করা মাংস। ইতিমধ্যে ভোজনরসিকদের মধ্যে এ খাবার নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার কালিতলা নৌঘাটে প্রতিদিনই গারলের মাংস খেতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সারিয়াকান্দি উপজেলার বিস্তীর্ণ যমুনাচরে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি মরুর দেশের গারল খামার। এসব গারল প্রাকৃতিকভাবে চরাঞ্চলের সবুজ ঘাস খেয়ে বেড়ে ওঠে। গত কয়েক বছর ধরে এই গারলগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বগুড়া শহরের অভিজাত হোটেলগুলোতে বিক্রি হচ্ছিল। তবে এবার যমুনাপাড়ের সাধারণ মানুষের নাগালে আনতে উপজেলার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র কালিতলা নৌঘাটে রান্না করা গারলের মাংস বিক্রি শুরু হয়েছে।
গত শুক্রবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ৪০ কেজি ওজনের একটি গারল জবাই করে উদ্বোধন করা হয় বিক্রয় কার্যক্রমের। স্থানীয় হাজী হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে এখন নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে গারলের ভুনা মাংস। ভোক্তাদের জন্য প্রতি বাটি মাংসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪০ টাকা।
শুক্রবার দুপুরে এ নৌঘাটে গারলের মাংস খেতে ভোজনরসিকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। দুপুরের মধ্যেই পুরো একটি গারলের সব মাংস বিক্রি হয়ে যায়। অনেকে আবার পার্সেল করে পরিবারের সদস্যদের জন্যও নিয়ে যান। হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আপাতত প্রতি শুক্রবারই রান্না করা গারলের মাংস বিক্রি করা হবে।
যমুনা গারল খামারের সত্ত্বাধিকারী আশরাফ আলী বলেন,“গারলের মাংসের এত চাহিদা যে খামার থেকে চাহিদামতো সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ মাংসে চর্বি নেই বললেই চলে—খাওয়ার পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়ারও দরকার হয় না। এটি শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। যমুনাপাড়ের মানুষ যাতে স্বল্প দামে গারলের মাংস খেতে পারেন, সেই ভাবনা থেকেই আমরা রান্না করা গারলের মাংস বিক্রি শুরু করেছি।”
তিনি আরও জানান, উদ্বোধনের দিন দুপুরের খাবারেই পুরো একটি গারলের মাংস বিক্রি হয়ে যায়। অনেকেই পরে এসে মাংস না পেয়ে ফিরে গেছেন।




















