বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি: ২৪ জুলাই ২০২৬ , ১১:৩২:৫১ প্রিন্ট সংস্করণ
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের ফতেপুর বাউসা বাজার জামে মসজিদের ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে ৫০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অন্যের নাম ব্যবহার করে অঙ্গীকারনামা তৈরির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, রাজশাহী সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের একজন স্ট্যাম্প ভেন্ডারের মাধ্যমে কেনা ৫০ টাকার একটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বাউসা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করা হয়। তবে নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন, এ বিষয়ে তাকে কিছুই জানানো হয়নি এবং তার কোনো সম্মতিও নেওয়া হয়নি।
জানা গেছে, মসজিদের ইমাম নিয়োগসংক্রান্ত আলোচনার সময় মসজিদ পরিচালনা কমিটির দায়িত্বে থাকা মোস্তাফিজুর রহমান জুয়েল স্ট্যাম্পটি প্রদর্শন করলে বিষয়টি নজরে আসে নজরুল ইসলামের। পরে খোঁজ নিয়ে তিনি একই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল রাজ্জাকের বিরুদ্ধে এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ তোলেন।
মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “মসজিদের ইমাম নিয়োগের জন্য ৫০ টাকার একটি স্ট্যাম্পে আমার নামে অঙ্গীকারনামা করা হয়েছে। অথচ এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমার ও আমার পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই এমনটি করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, এর আগেও একই ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছিল। তখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ভুল স্বীকার করায় বিষয়টি আর বাড়ানো হয়নি। কিন্তু একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ায় তিনি এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।
এ বিষয়ে মসজিদের ইমাম রুহুল আমিন বলেন, “অঙ্গীকারনামার বিষয়টি সম্পর্কে আমার ধারণা ছিল না। ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর আমাকে জরুরি ভিত্তিতে পুঠিয়ায় ডাকা হয় এবং একটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করতে বলা হয়। উপস্থিত ব্যক্তিদের কথায় বিশ্বাস করে না বুঝেই স্বাক্ষর করি। পরে জানতে পারি, স্ট্যাম্পটি নজরুল ইসলামের নামে কেনা হয়েছিল।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুল রাজ্জাক বলেন, “সেসময় মসজিদে কোনো ইমাম না থাকায় এলাকার স্বার্থ বিবেচনা করে নজরুল ইসলামের নামে স্ট্যাম্পটি কেনা হয়েছিল।” তবে কেন নিজের বা অন্য কোনো ব্যক্তির নামে স্ট্যাম্পটি কেনা হয়নি, সে প্রশ্নের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি।
তিনি আরও দাবি করেন, এ কাজে তার সঙ্গে ভাতিজা মোস্তাফিজুর রহমান জুয়েল, ভাইসম রব্বেল, এলাকার বাসিন্দা জেনেটসহ আরও কয়েকজন যুক্ত ছিলেন।





















