প্রচ্ছদ

বদরগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরীর বিরুদ্ধে ছাত্রীর ফোনে অশ্লীল ভিডিও দেখানোর অভিযোগে তদন্তে সত্যতা

  ফারুক হোসেন নয়ন, বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি ১১ আগস্ট ২০২৫ , ১২:৩৫:৫৬ প্রিন্ট সংস্করণ

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ১৩ নম্বর কালুপাড়া ইউনিয়নের শংকরপুর ঝাড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের মুঠোফোনে অশ্লীল ভিডিও দেখানোর অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর গণস্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে রোববার (১০ আগস্ট) সকাল পৌনে ১২টার দিকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্ত রবিউলের শাস্তির দাবিতে আফজাল হোসেন নামে এক অভিভাবক বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে রবিউল ইসলাম পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে নিজের মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও দেখাতেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করতেন। এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলে, “পিয়ন রবিউল ইসলাম আমাদের খারাপ ভিডিও দেখায়। আমরা তার শাস্তি চাই।” আরেক শিক্ষার্থী আজমীর সরকার জানান, “রবিউল চাচ্চু শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে অশ্লীল ভিডিও দেখাতেন।”

অভিভাবক ফেন্সি বেগম বলেন, “রবিউল এতটাই প্রভাবশালী যে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।” বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকাও নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে জানান, “রবিউল আমাদেরও জিম্মি করে রেখেছে।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহমুদা খাতুন জানান, অভিভাবকরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন— রবিউলের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তারা সন্তানদের স্কুলে পাঠাবেন না। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আফজাল হোসেন বলেন, রবিউল ইসলাম অতীতেও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন; ২০২০ সালে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে বিয়ে করতে বাধ্য হন।

তবে অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, “এসব ভিত্তিহীন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।”

তদন্ত কমিটির সদস্য ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাঃ লাজিজা বেগম বলেন, “আমরা প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।” রংপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা দ্রুত অভিযুক্ত দপ্তরীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ১৩ নম্বর কালুপাড়া ইউনিয়নের শংকরপুর ঝাড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের মুঠোফোনে অশ্লীল ভিডিও দেখানোর অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর গণস্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে রোববার (১০ আগস্ট) সকাল পৌনে ১২টার দিকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্ত রবিউলের শাস্তির দাবিতে আফজাল হোসেন নামে এক অভিভাবক বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে রবিউল ইসলাম পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে নিজের মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও দেখাতেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করতেন। এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলে, “পিয়ন রবিউল ইসলাম আমাদের খারাপ ভিডিও দেখায়। আমরা তার শাস্তি চাই।” আরেক শিক্ষার্থী আজমীর সরকার জানান, “রবিউল চাচ্চু শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে অশ্লীল ভিডিও দেখাতেন।”

অভিভাবক ফেন্সি বেগম বলেন, “রবিউল এতটাই প্রভাবশালী যে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।” বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকাও নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে জানান, “রবিউল আমাদেরও জিম্মি করে রেখেছে।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহমুদা খাতুন জানান, অভিভাবকরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন— রবিউলের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তারা সন্তানদের স্কুলে পাঠাবেন না। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আফজাল হোসেন বলেন, রবিউল ইসলাম অতীতেও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন; ২০২০ সালে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে বিয়ে করতে বাধ্য হন।

তবে অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, “এসব ভিত্তিহীন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।”

তদন্ত কমিটির সদস্য ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাঃ লাজিজা বেগম বলেন, “আমরা প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।” রংপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা দ্রুত অভিযুক্ত দপ্তরীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আরও খবর

Sponsered content