নওগাঁ প্রতিনিধি: ১১ জানুয়ারি ২০২৬ , ৮:২২:৪৩ প্রিন্ট সংস্করণ
নওগাঁর মান্দা উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নারীসহ তিনজনকে আহত করা, সুপারি বাগান ভাঙচুর ও স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি একটি মাদ্রাসার শরীরচর্চা শিক্ষক বলে জানা গেছে। তবে মামলার অন্যান্য আসামিরা এখনো পলাতক রয়েছেন।
মান্দা থানায় দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে গত ৬ জানুয়ারি বিকেলে উপজেলার বড়পই এলাকা থেকে চকগোপাল গ্রামের মৃত রহিম বক্সের ছেলে মামলার ১ নম্বর আসামি আশরাফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি রেবা আখতার আলিম মাদ্রাসার শরীরচর্চা শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। মামলার ২ নম্বর আসামি মনসুর রহমানসহ অন্যান্য আসামিরা বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মো. আনোয়ার হোসেন (৩৭) গত ৪ জানুয়ারি মান্দা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি দণ্ডবিধির ১৪০/৪৪৭/৩২৩/৩২৫/৩৫৪/৪২৭/৩৭৯/৫০৬/১১৪ ধারায় রুজু করা হয়।
এজাহার অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ১৬ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কুসুম্বা ইউনিয়নের চকগোপাল মৌজায় বাদীর ভোগদখলীয় সুপারি বাগানে অনধিকার প্রবেশ করে। এ সময় তারা ২৫টি সুপারি গাছ ও একটি কাঁঠাল গাছ উপড়ে ফেলে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষতি করে।
বাধা দিতে গেলে বাদী মো. আনোয়ার হোসেন ও তার চাচা মো. মোজাম্মেল হককে মারধর করা হয়। এতে আনোয়ার হোসেন গুরুতর আহত হন। এ সময় তার স্ত্রী রিক্তা পারভীন (৩০) এগিয়ে এলে তাকে শ্লীলতাহানি করা হয় এবং প্রায় এক লাখ টাকা মূল্যের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কেএম মাসুদ রানা বলেন, “মামলার একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।




















