মোঃ সাকিব চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টার ২ জুন ২০২৬ , ৫:৪১:৩৫ প্রিন্ট সংস্করণ
রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে পোলট্রি মুরগির দাম। একই সঙ্গে কিছু সবজির দামও কমেছে। তবে উল্টো বেড়েছে ডিমের দাম। অন্যদিকে চাল, ডাল, তেল, মাছ ও মাংসের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
মঙ্গলবার (২ জুন) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। পাকিস্তানি সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা কমে ৩০০ থেকে ৩১০ টাকায় নেমেছে। পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা। পাকিস্তানি লেয়ার মুরগির দাম অপরিবর্তিত থেকে ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৪ টাকায়। গত সপ্তাহে একই ডিমের হালি ছিল ৩৮ থেকে ৪০ টাকা।
মুলাটোল আমতলা বাজারের মুরগি বিক্রেতা আমির হোসেন বলেন, “কোরবানির ঈদের পর সাধারণত মুরগির দাম কিছুটা কমে যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও চাহিদা তুলনামূলক কম।”
সবজির বাজারে দেখা গেছে, ঝিঙা, শসা, করলা, কাঁচা কলা ও বগুড়ার লাল পাকড়ি আলুর দাম কমেছে। অন্যদিকে সজনে, পেঁপে, কচুরমুখী ও ধনেপাতার দাম বেড়েছে।
বর্তমানে টমেটো ৭০ থেকে ৮০ টাকা, গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঝিঙা ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, শসা ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়শ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা এবং করলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া ধনেপাতা প্রতি কেজি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, সজনে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পেঁপে ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মিষ্টিকুমড়া, শুকনো মরিচ, পেঁয়াজ, দেশি আদা, রসুন ও অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে আমদানি করা আদার দাম কমে কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় নেমেছে।
লালবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা নুর ইসলাম বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে বাজারে এখনও পূর্ণমাত্রায় ক্রেতা সমাগম হয়নি। কিছু সবজির দাম কমলেও কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে।”
অপরদিকে, চাল, ডাল, ভোজ্যতেল ও ময়দাসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম গত সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে।




















