প্রতিনিধি ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৬:৫০:৪৮ প্রিন্ট সংস্করণ
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর একাংশ) আসনটি ব্যাপক আলোচিত হয়ে উঠেছে।
এ আসনটিতে ২০০৯ ও ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনে ১৪ দলের শরীক জোট জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী এড. জিয়াউল হক মৃধা জয়ী হয়েছিলেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জাপার প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ ও চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। জিয়াউল হক মৃধা রওশনপন্থী হিসেবে পরিচিত। তিনি জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দল থেকে বহিষ্কৃত হন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের আসন পুনরুদ্ধার করতে এবার মরিয়া জিয়াউল হক মৃধা। ফিরেছেন জাতীয় পার্টিতে। তিনি লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা জি এম কাদেরের কাছ থেকে জাপার মনোনয়ন গ্রহণ করেন তিনি।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সরাইল উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মো. আলী নেওয়াজ বলেন, ‘জিয়াউল হক মৃধা লাঙ্গল প্রতীক পেয়ে নির্বাচন করবেন জেনে, আমরা অত্যান্ত আনন্দিত হয়েছি। আশাকরি জিয়াউল হক মৃধা জয়ী হবেন।’
এদিকে এ আসনটিতে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়বেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। গত বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সরাইল সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে তার পক্ষে কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে আলী হোসেন নামের একজন কর্মী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
এ ছাড়া এ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামবাংলাদেশ-এর সিনিয়র সহ সভাপতি আল্লামা জুনায়েদ আল হাবিব। দলীয় নেতারা মনোনয়ন না পাওয়ায় সরাইল ও আশুগঞ্জ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে; যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছে।
তবে উপজেলা বিএনপির পদধারী নেতারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে সমর্থন জানিয়েছেন। তবে এ আসনেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়বেন বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যরিস্টার রুমিন ফারহানা ও বিএনপির নেতা বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের মহাসচিব এস এন তরুণ দে।





















