আন্তর্জাতিক

লেবাননের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ‘আজ কথা বলবেন’ নেতানিয়াহু

  প্রতিনিধি ১৬ এপ্রিল ২০২৬ , ৪:৪৮:৪২ প্রিন্ট সংস্করণ

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন দেশটির মন্ত্রিসভার একজন সদস্য। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ইসরায়েলি আর্মি রেডিওতে নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির সদস্য গিলা গামলিয়েল এ কথা জানিয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

গিলা গামলিয়েল বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের সংলাপ বিচ্ছিন্নতার পর এই আলোচনা শুরু হচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত সমৃদ্ধির পথ খুলে দিতে পারে।’

এর আগে মার্কিন সময় বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল এ একটি পোস্টে লিখেছেন, ইসরায়েল ও লেবাননের নেতারা ‘আগামীকাল’ (অর্থাৎ আজ) কথা বলবেন।

তবে বৃহস্পতিবার লেবাননের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে হতে যাওয়া যোগাযোগের বিষয়ে তারা অবগত নন।

গত ২ মার্চ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানকে ঘিরে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে লেবানন। ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের ওপর হামলা পুনরায় শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

হিজবুল্লাহ জানায়, ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিক্রিয়ায় তারা এই হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের নভেম্বরে লেবাননে যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, তা প্রায় প্রতিদিন লঙ্ঘনের অভিযোগও আনা হয় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে।

এরপর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং ১২ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযানও চালাচ্ছে ইসরায়েল, যেখানে তারা আরও এলাকা দখল করে তথাকথিত ‘নিরাপত্তা বাফার অঞ্চল; গড়ে তুলতে চায়।

এদিনের আগেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, তিনি দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান আরও বিস্তারের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা এবং উত্তর সীমান্তে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লেবানন সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।

অন্যদিকে লেবানন সরকার, যারা সরাসরি এই সংঘাতের অংশ নয়, যুদ্ধবিরতি ও দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে।

আরও খবর

Sponsered content