প্রচ্ছদ

শেরপুরে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার -১

  শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি ৯ মার্চ ২০২৫ , ৯:০৩:০৪ প্রিন্ট সংস্করণ

Oplus_131072

বগুড়ার শেরপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে কথিত প্রেমিক। পরে সেই ভিডিও দিয়ে ওই ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণ করে কথিত প্রেমিকের আরেক বন্ধু।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের ধনকুণ্ডি গ্রামে। উক্ত ঘটনায় শনিবার (০৮মার্চ) রাতে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন। এরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলায় অভিযুক্ত মো. সুজন মিয়া নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। সে ধনকুণ্ডি গ্রামের এজাব আলীর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের ধনকুন্ডি গ্রামের মজিবর রহমানের বাড়িতে তাঁর স্ত্রী একটি কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রান্না করে খাওয়াতেন। আর এই সুযোগে গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা এলাকার সৈয়দ আলী সরকারের ছেলে তাজুল ইসলাম ওই বাড়িতে যাতায়াত করতো। একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে মজিবর রহমানের নবম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে তাজুল ইসলাম। এরই ধারাবাহিকতায় বিগত ২৬আগস্ট রাতে শয়নকক্ষে ঢুকে ওই স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। আর কথিত প্রেমিকের আরেক বন্ধু সুজন মিয়া গোপনে ওই ধর্ষণের চিত্র মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে ভিডিওটি স্কুলছাত্রীকে দেখিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় সুজন। অন্যথায় তার সঙ্গে শারিরীক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। একপর্যায়ে ব্ল্যাকমেইল করে বিগত ০৫অক্টোবর সুজন মিয়া ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এছাড়া ভিডিওটি লম্পট সুজন তার আরো চার সহযোগীকে দেন এবং তাদের নিজ নিজ ফেসবুক আইডিতে ছড়িয়ে দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, এই ঘটনায় থানায় মামলা নেওয়া হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে সুজন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে রবিবার বিকেলে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মাসুম বিল্লাহ /এমআই

আরও খবর

Sponsered content