নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০ নভেম্বর ২০২৫ , ১২:৫৭:১০ প্রিন্ট সংস্করণ
যে সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার এবং বাড়ি/ভবনের ছাদ বা দেয়ালে বিজ্ঞাপনী নামফলক, সাইনবোর্ড, এলইডি, বিলবোর্ড স্থাপন করেছে—তাদেরকে নিজ দায়িত্বে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এসব অপসারণের অনুরোধ জানিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার, বিজ্ঞাপনী নামফলক, সাইনবোর্ড, এলইডি ও বিলবোর্ড অপসারণ করা না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর রাস্তাঘাট, মোড় ও এলাকাজুড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারণার ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে।
এই প্রসঙ্গে বুধবার (১৯ নভেম্বর) একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “জহির রায়হান সাহেবের ছেলে—ঢাকা শহরে তার পোস্টার সর্বত্র লাগানো হয়েছে। নান্দনিক পরিবারের সন্তান যদি এমন কাজ করেন তাহলে আমরা যাব কোথায়? যাকে অনেকেই খুবই পছন্দ করেন, তিনিও বা তার অনুসারীরাও রাস্তাঘাট পোস্টারে ভর্তি করে ফেলেছেন। এটা তিনি জানেন কি জানেন না—এ প্রশ্ন থেকেই যায়। তাহলে পরিবর্তনটা কোথায়?”
মোহাম্মদ এজাজ আরও বলেন, “আমরা একটি স্টাডি করছি—কারা ঢাকা শহরে সবচেয়ে বেশি ব্যানার-পোস্টার লাগাচ্ছে। আগামী রোববার অথবা সোম/মঙ্গলবার সেই স্টাডি প্রকাশ করব। এর পর দলীয় প্রধানদের চিঠি দেওয়া হবে। এরপরও যদি তারা না থামেন, তাহলে জরিমানা করা হবে। ইতোমধ্যে কয়েক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তারপরও যদি বন্ধ না হয়, আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে যাব।”
এদিকে ঢাকা উত্তর সিটির ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ের সামনেই একটি বড় আকারের রাজনৈতিক ব্যানার চোখে পড়ে। ব্যানারটি যার প্রচারের উদ্দেশ্যে লাগানো হয়েছে তিনি বনানী থানা বিএনপির ২নং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইমান হোসেন নূর ইমন। বনানী এলাকায় তার আরও বেশ কয়েকটি ব্যানার দেখা গেছে। এছাড়া মহাখালী-বনানী এলাকায় ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. এসএম খালিদ্দুজ্জামানের ব্যানার-ফেস্টুনেও এলাকা সয়লাব হয়ে গেছে।




















