নেত্রকোনা প্রতিনিধি: ১৩ জুন ২০২৬ , ৪:৪২:১০ প্রিন্ট সংস্করণ
“করবো বীমা, গড়বো দেশ, উন্নয়নের বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেত্রকোনায় বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ও নিয়ন্ত্রিত, ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির উদ্যোগে মরণোত্তর চেক হস্তান্তর ও উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১১টায় নেত্রকোনা জোন ও সার্ভিস সেন্টারের আয়োজনে শহরের কে এম এস টাওয়ারের তৃতীয় তলার হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নেত্রকোনা জোন ও সার্ভিস সেন্টারের এজেন্সি ডিরেক্টর শাহিন মিয়া। সঞ্চালনা করেন এজেন্সি ডিরেক্টর হাবিবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. নূরুজ্জামান। প্রধান বক্তা ছিলেন বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ম. কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কে. আর. খান পাঠান সাহের এবং বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ময়মনসিংহ ডিভিশনাল ইনচার্জ ও সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাসুম হাসান জামাল।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এজেন্সি ডিরেক্টর মো. সোহাগ মিয়া, সহকারী এজেন্সি ডিরেক্টর মোছা. সালেহা রায়হান, মাওলানা মনিরুজ্জামান, মো. নূরুল ইসলাম, জুবায়ের আহমেদ মাহফুজ, মোছা. সুমি আক্তার, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মমতাজ বেগম, নূরজাহান আক্তার, শাপলা আক্তার, শাহানা আক্তার, খাদিজা আক্তার বেবী, সোহেল খান দূর্জয়, কাউসার হোসেন জানুসহ অন্যান্য কর্মকর্তা।
এ সময় ইউনিট ম্যানেজার হাফিজা আক্তার, স্মৃতি আক্তার, করুণা আক্তার, লিপি আক্তার রুনা, লাল মিয়া, শাহিনুর রশীদ, সানাউল্লাহ শাহ, হাজেরা আক্তার, শিউলি আক্তার ও আব্দুল আলীমসহ নেত্রকোনা জোন ও সার্ভিস সেন্টারের আওতাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারী, উন্নয়নকর্মী এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বীমা গ্রাহকদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে মরণোত্তর চেক হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম, গ্রাহকসেবা উন্নয়ন এবং বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তারা বলেন, বীমা মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে জীবন বীমা একজন মানুষের অনুপস্থিতিতে তার পরিবারের জন্য আর্থিক সুরক্ষা প্রদান করে। তাই সমাজে বীমা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা সৃষ্টি এবং সেবার মান উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।




















